সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বেশ মজা হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞ পরামর্শক আলবি মরকেলকে নিয়ে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল- ছোট ভাই ও ভারতের বোলিং কোচ মরনে মরকেলের সঙ্গে কোচিং বিষয়ে আলোচনা হয় কি না? জবাবে তিনি প্রথমে গম্ভীর হয়ে বলেন ‘না’। পরে হেসে যোগ করেন, তাদের চেয়ে মা-ই বেশি চিন্তায় থাকেন ভারত না দক্ষিণ আফ্রিকা, কাকে সমর্থন করবেন সেটা নিয়ে!
আগামী রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ভারত। ফলে দুই ভাইয়ের এই পারিবারিক দ্বৈরথ নিয়েও বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মরনে মরকেলের অধীনে ভালো করছেন ভারতের পেসাররা। অল-রাউন্ডার শিবম দুবের ভূমিকাও আরও পরিষ্কার হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে আলবি মরকেলের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস আক্রমণও বেশ কার্যকর হয়ে উঠেছে। যদিও কাগিসো রাবাদা এখনো সেরা ছন্দে নেই, তবু লুঙ্গি এনগিডি, মার্কো ইয়ানসেন এবং করবিন বোশ নিয়মিত উইকেট এনে দিচ্ছেন। আমিরাতের বিপক্ষে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন বশ। তিনি জানান, দল হিসেবে একসঙ্গে খেলতে শুরু করলেও সবাই দ্রুত মানিয়ে নিয়ে ভালো ফল দিচ্ছেন।
নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে আলবি মরকেল জানান, ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে কিছু কাজ করলেও আপাতত তার প্রধান মনোযোগ বোলিং বিভাগে। সেইসঙ্গে কাজ করছেন অল-রাউন্ডারদের নিয়েও। ভারতের উইকেট তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠ টি-টোয়েন্টির জন্য সবসময় আদর্শ নয়। তাই বোলাররা অনেক সময় ভুল করেও পার পেয়ে যায়। কিন্তু ভারতে ভালো উইকেটে ধীরগতির বল বা অতিরিক্ত বৈচিত্র্যের চেয়ে নিখুঁত ইয়র্কার বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
টুর্নামেন্টে এখনো অপরাজিত দক্ষিণ আফ্রিকা আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচে কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিয়েছে। দলের বিশ্বাস, শেষ আট থেকেই শুরু হচ্ছে আসল লড়াই। নিজের কোচিং দর্শনে বড় প্রভাব হিসেবে আলবি মরকেল উল্লেখ করেন সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নাম। দীর্ঘদিন চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে তার সফল কোচিং অভিজ্ঞতা থেকে মরকেল অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানান।
আমাদেরও অভিষেক শর্মার মতো একজন স্লগার দিন: বাসিত আলি
‘ওরাও তো ভারতকে হারাতে পারেনি’ – সাবেকদের সঙ্গে তুলকালাম ঝগড়া শাদাবের