ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, গত বছরের ট্রান্স-আটলান্টিক বাণিজ্য চুক্তিতে নির্ধারিত সীমার বাইরে শুল্ক বাড়ানো যাবে না। ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পর ব্রাসেলস স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, 'চুক্তি মানেই চুক্তি।'
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইউরোপীয় কমিশনের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায় দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত জানায় ইইউ। রায়ের পর ট্রাম্প অস্থায়ীভাবে বৈশ্বিক সব পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, যা একদিনের মধ্যেই বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়।
ব্রাসেলস বলেছে, পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ওয়াশিংটনকে 'পূর্ণ স্বচ্ছতা' দেখাতে হবে। কমিশন জোর দিয়ে জানায়, ইইউ পণ্যের ওপর আগেই নির্ধারিত ১৫ শতাংশের সীমার বেশি শুল্ক আরোপ করা যাবে না। অনিশ্চিত ও হঠাৎ শুল্ক নীতি বৈশ্বিক বাজারে আস্থা নষ্ট করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা।
গত বছরের চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত অধিকাংশ ইইউ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য ছিল। তবে বিমান ও যন্ত্রাংশের মতো কিছু পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়। বিনিময়ে ইইউ বহু মার্কিন পণ্যের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে এবং পাল্টা উচ্চ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা বাতিল করে।
বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইইউর বাণিজ্য কমিশনার মারোস শেফচোভিচ সপ্তাহান্তে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
