ভোলার লালমোহনে মেঘনা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোটডুবির ঘটনায় দুই দিনে সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের।
যেখানে সারা দেশ আনন্দ মেতেছে সেখানে কনস্টেবল ফখরুলের পরিবার-পরিজন মেঘনার তীরে প্রহর গুনছেন প্রতিটি মুহূর্ত যেন অনিশ্চয়তা আর শোকের ভারে ভারাক্রান্ত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও এখনো নিখোঁজ এই পুলিশ সদস্যের কোনো খোঁজ মেলেনি। নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সম্মিলিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, ততই স্বজনদের আশা-নিরাশার দোলাচল বাড়ছে।
ফখরুল ইসলামের পরিবার জানায়, ঈদের আগেই তিনি বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখন রূপ নিয়েছে অজানা শঙ্কায়। মেঘনার ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে স্বজনদের নিঃশব্দ আহাজারি যেন পুরো পরিবেশকে ভারী করে তুলছে।
গত ১৮ মার্চ রাতের সেই দুর্ঘটনার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়। এরই মধ্যে সামনে চলে এসেছে পবিত্র ঈদ। যেখানে সবার ঘরে আনন্দের প্রস্তুতি, সেখানে ফখরুল ইসলামের পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আশায় তারা নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন কেউ হয়তো শেষবারের মতো একটি খবরের অপেক্ষায়।
এদিকে, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে কয়েকজন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুরুতর আহত স্পিডবোট চালককে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
