চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং অন্য সদস্যদের এক মতবিনিময় সভা রবিবার (২৯মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বেলা ১১টায় উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান।
এ সময় উপাচার্য বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় কারো একার না, এ বিশ্ববিদ্যালয় সার্বজনীন। আমরা সকলে মিলে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে সকলের জন্য সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। আপনারা সবাই উপাচার্য তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। চবি ক্যাম্পাসে সকলের জন্য নিরাপদ, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। এ সময় উপাচার্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর, চবি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও মেরিন সায়েন্সস ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. জহুরুল আলম ও ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজা আক্তার খানম, আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, জিয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ছবুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, সহ-সম্পাদক আবদুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মন্নান, সদস্য এস.এম নাজিম উদ্দীন, কাজী মুহাম্মদ হারুন, মো. হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ জাফরুল আলম জাফর, কামরুল আলম রাশেদ ও মো. খায়রুন্নবী। এছাড়া কর্মচারীদের মধ্যে ইসমাইল, আমির হোসেন, মো. জসিম, মো. ওসমান, আবদুল মালেক ও আবদুল মান্নানসহ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের অন্য নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এছাড়া এদিন সকাল থেকে উপাচার্য দপ্তরে বিভিন্ন বিভাগ, হল, দপ্তর এবং ছাত্র সংগঠনসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরমধ্যে ছিলেন ফরেস্ট্রি এন্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সস ইনস্টিটিউট, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, রেজিস্ট্রার অফিস, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হল, বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগ, আরবি বিভাগ, ওশানোগ্রাফি বিভাগ, ফিশারিজ বিভাগ, ল্যাবরেটিরি স্কুল এন্ড কলেজ, চবি প্রেস, চবি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তর এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।
