স্বাস্থ্য খাতে সুনজর ছিল না অন্তর্বর্তী সরকারের

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ এএম

যে রোগ নিয়ে কারও কখনো দুচিন্তাই ছিল না, মৃত্যু হতে পারে এমন ধারণাও ছিল না, সে রোগই কেড়ে নিচ্ছে বহু শিশুর প্রাণ। সে রোগই এখন মানুষের দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কে কারণ। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিশেষজ্ঞদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ। গত ২২ দিনে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে অন্তত ১৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এমন বাস্তবতায় আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সব প্রাণ’। অর্থাৎ বিজ্ঞানের সঙ্গে থাকা। কিন্তু এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে দেশের বর্তমান অবস্থার বিপরীত। দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা শোচনীয়। আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা চরম সংকটে পড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার গত দেড় বছরে স্বাস্থ্য খাতে কোনো নজর দেয়নি বললেই চলে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক প্রকল্পে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যা বর্তমান হাম নিয়ে সৃষ্ট সংকটের প্রধান কারণ। তবে বর্তমান সরকারের নজর এখন হামে। জানা যায়, পরিস্থিতি মোকাবিলার পর ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য দিকেও নজর দেবে সরকার। হামের সংকট উত্তরণে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্যে বিজ্ঞানের সঙ্গে থাকতে বলার কারণ বিজ্ঞান মানুষকে সুস্থতা ও সঠিক জীবন বাতলে দিতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা প্রতিপাদ্যের বিপরীত। বিশেষ করে গত দেড় বছরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাত বিজ্ঞান থেকে দূরে সরে গেছে।

এ প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্যবিদ রাশেদ রাব্বি বলেন, ‘বর্তমানে হামের যে প্রাদুর্ভাব, এর কারণ কী? এর পেছনে রয়েছে মূলত টিকাবিরোধী প্রচার। এটা শুরু হয়েছে কভিড থেকে। টিকা বিশেষ বিশেষ রোগের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেয়। কিন্তু টিকার বিরুদ্ধে যে প্রচার, তারই প্রেক্ষিতে দেশ স্বাস্থ্যঝুঁকির ভেতরে পড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান কাজের একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি)। সেখানে গবেষণার ক্ষেত্রে ২, ৩ থেকে ৫ লাখ টাকার বাইন্ডিংস দেওয়া থাকে। গবেষণা কোনো বাইন্ডিংসে হয় না। ২ লাখ টাকায় যদি কাউকে গবেষণা করতে দেওয়া হয়, যেখান থেকে আবার প্রায় ২০ থেকে ২৩ শতাংশ ভ্যাট কেটে নেওয়া হবে, সেই টাকায় জার্নাল রিভিউ করানো সম্ভব না। ফলে বিজ্ঞানের চর্চা করার তো কোনো সুযোগ নেই।’

স্বাস্থ্য খাতের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিশেষজ্ঞদের মতে কেনাকাটা, নিয়োগ, বদলি এবং পদোন্নতি এ চারটি খাতেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয়ের শীর্ষপর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মচারী অনেকেই আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে সরকারি কেনাকাটার ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই বিল উত্তোলন, খালি বাক্স সরবরাহ এবং ব্যবহারহীন যন্ত্রপাতি ক্রয় করে গুদামে ফেলে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় বসে। মানুষ নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করে মানুষ। গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগমকে করা হয় অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। সংশ্লিষ্টরা মনে করে, স্বাস্থ্যে একেবারেই অনভিজ্ঞ এই নারী প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ কোঠায় স্বাস্থ্য উপদষ্টার দায়িত্ব পেয়ে কোনো চমক দেখাতে পারেননি। পরে স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক সায়েদুর রহমান। তবে তিনিও এ খাতকে হতাশ করেছেন।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের জন্য ২০২৪ সালের নভেম্বরে ১২ সদস্যের ‘স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন’ গঠন হয়। ডিসেম্বরে কাজ শুরু করে কমিশন ২০২৫ সালের ৫ মে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ৩২২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। এই প্রতিবেদন তৈরির আগে চালানো হয় কয়েকটি জরিপ। প্রায় পাঁচ মাসের বেশি সময় নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন কমিশনের সদস্যরা। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয় প্রতিবেদনে। প্রতিবেদন তৈরির আগে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকেও সুপারিশ নেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের ৯ মাসে স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যত কোনো সংস্কার হয়নি। এমন কি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তিন মাসেও কোনো অগ্রগতি না দেখে তখন স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক এ কে আজাদ দ্রুত সুপারিশ বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি দেন। তারপর কেটেছে আরও ছয় মাস। কিন্তু কোনো পরিবর্তন আসেনি।

অপারেশন প্লানের (ওপি) মাধ্যমে স্বাস্থ্যের উন্নয়নে যে প্রকল্প পরিচালিত হতো, অন্তর্বর্তী সরকার সেই ওপি বন্ধ করে দেয়। যার নেতিবাচক প্রভাব এখন স্বাস্থ্য খাতে পড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্তি মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, ‘আগে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় ১৭টি অপারেশন প্ল্যান (ওপি) ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই ওপি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে শুধু হামের ক্ষেত্রেই নয়, অন্যান্য স্বাস্থ্য খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী বলেন, ‘স্বাস্থ্যের পলিসিগত একটা বড় চেঞ্জ হয়ে গেছে। ডেভেলপমেন্টাল প্রজেক্ট হিসেবে চার বছর অন্তর অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সেটি চলমান রাখেনি। ওপি বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক প্রকল্পে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। সেসব প্রকল্পে বেতন ঠিকমতো নেই। বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। এটাকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।’

বর্তমান সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে হামে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওপি বন্ধের কারণে নানা সংকট তৈরি হয়েছে। হামের এই আউটব্রেক হলো, এটারও কিন্তু একটা বিহাইন্ড কজ হচ্ছে এই ওপি বন্ধ হওয়া। এখন হামের এই জটিল সময়টি পার করতে পারলে আমরা অন্য বিষয়গুলোয় হাত দেব। প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় নির্দেশনায় আমরা চেষ্টা করছি সবাইকে উজ্জীবিত করতে। আশা করছি পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে।’

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো স্বাস্থ্যে বাজেট জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ। যা থাকা দরকার ৫ শতাংশ। বার্ষিক ১৫ শতাংশের জায়গায় আছে মাত্র ৫ শতাংশ। একে তো বাজেট কম, আবার তার সিংহভাগ চলে যাচ্ছে দুর্নীতিতে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার মান তলানিতে নেমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত ১০ বছর ধরে জাতীয় বাজেটের চার থেকে পাঁচ পার্সেন্টের ভেতরে ঘুরপাক খাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমপক্ষে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ উন্নীত করার কথাও বলেন তারা।

কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি ড. আবু মুহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন যে সুপারিশ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার তার দৃশ্যমান কোনো সংস্কার করেনি। স্বাধীন স্বাস্থ্য কমিশন, বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সার্ভিসের প্রভিডেন্টটা নিচের দিকে নামিয়ে আনা এগুলো করতে পারত কিন্তু করেনি।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য খাতে জনবলের তীব্র সংকট রয়েছে। আবার মানহীন প্রতিষ্ঠানে মানহীন জনবল তৈরি হচ্ছে। যাতে সামনে আরও সংকট তৈরি হতে পারে। বর্তমানে দেশে ৯০ হাজার চিকিৎসক ও এক লাখের মতো নার্স রয়েছেন। ডাক্তার ৯০ হাজার থাকলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী নার্স ২ লাখ ৭০ হাজার এবং প্যারামেডিক সাড়ে ৪ লাখ থাকার দরকার। সরকারি হিসেবে প্যারামেডিক আছেন মাত্র ২০ হাজার।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, ‘বিগত সরকার স্বাস্থ্যের সব জায়গাই নষ্ট করে গেছে। এখন আমরা যদি স্বাস্থ্য খাত ঠিক করতে যাই, প্রতিটা জায়গায় হাত দিতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এসব সংকট উত্তরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরাও এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি। মেডিকেল শিক্ষা হচ্ছে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি। বিগত সরকারগুলো এই ভিত্তি একেবারে নড়বড়ে করে দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর বাণী ও ফেসবুক পোস্ট : বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গতকাল বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া এক ফেসবুক পোস্টে দিবসটির তাৎপর্য এবং সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকারকে সামনে রেখে ৭ এপ্রিল বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’। মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশ এই তিনটি উপাদান পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। এদের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য সব প্রাণের সুরক্ষা আজ সময়ের দাবি। এটাই ‘এক স্বাস্থ্য’ ধারণা, যা মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তার চারপাশের প্রাণিকূল ও পরিবেশের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় সমান তাগিদ দেয়। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞানকে সমন্বিত করে গবেষণা ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে সরকার। সেই লক্ষ্যে শহর ও গ্রামে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। দেশব্যাপী ধাপে ধাপে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী বা হেলথ কেয়ারার নিয়োগ করা হবে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ হবেন নারী। এ ছাড়া প্রতিটি নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ ব্যবস্থা চালু করা, স্বাস্থ্য খাতে সেবার মান উন্নয়ন ও চিকিৎসা ব্যয় সহনীয় রাখতে প্রয়োজনীয় সংস্কার, স্বাস্থ্যবীমা চালু ও ধীরে ধীরে বিস্তার, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা জোরদার এবং সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতার জন্য ন্যায়সঙ্গত আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব সম্মিলিতভাবে পালন করলে আমরা একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে সক্ষম হব। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই এবং এই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত