“বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য জোরালো তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব-৪, সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ এর মেজর সাদমান এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানান, এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৪, সিপিসি-৩ একটি চৌকস আভিযানিক দল মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানাধীন চকমিরপুর ঈদগাহ মাঠের পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সম্রাজ্ঞী মাজেদা বেগমকে (৫১) গ্রেপ্তার করে। এসময় ২.৫ কেজি গাঁজা, গাঁজা বিক্রির নগদ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
১৫ এপ্রিল বুধবার রাতে র্যাব-৪, সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ এর মেজর সাদমান নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে দৌলতপুরের চকমিরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাজ্ঞী মাজেদাকে গাজা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, র্যাব গোপন সূত্রে জানতে পারে দৌলতপুরের চকমিরপুর গ্রামে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী নিয়মিত গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো এবং একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে গাঁজা সেবনের আকরা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলো। তৎক্ষণাৎ র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মাজেদা বেগমকে গাঁজা বিক্রির সময় হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করে। এছাড়াও অপর এক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সম্রাট মো. জাহাঙ্গীর আলম র্যাব সদস্যগনের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় মাজেদা বেগমের দেহ তল্লাশি করে এবং পলাতক মো. জাহাঙ্গীর এর বাসা থেকে ২.৫ কেজি গাজা ও মাদক বিক্রির ৪২ হাজার নগদ টাকা অর্থ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিগণ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের নিকট বিক্রয় করে আসছিল।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কমর উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মাদক আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয়?