ইসলামে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা হয়েছে, যার প্রভাব তার ধর্মীয় ইবাদত পালনের ক্ষেত্রেও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। নারীদের ওপর হজ ফরজ হওয়ার শর্ত হলো, হজে যাওয়া আসা এবং সেখানে অবস্থানের খরচসহ মাহরামেরও হজে যাওয়া আসার খরচের মালিক হওয়া।
সুতরাং নিজের খরচ ও মাহরামের সব খরচ বহন করার সামর্থ্য থাকলেই নারীর ওপর হজ ফরজ হয়। তবে মাহরাম যদি ফরজ হজ করতে যায়, সেক্ষেত্রে তার সঙ্গে গেলে খরচ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। (আল-বাহরুর রায়েক ২/৩৩৯)
স্বামীর সম্পদ থাকলেই স্ত্রীর ওপর হজ ফরজ হয় না। বরং স্ত্রীর নিজের সম্পদ থাকতে হয়, সেই সম্পদ মোহরানা বাবদ হোক বা যেকোনো হালাল পন্থায় অর্জিত হোক।
হজ ফরজ হওয়ার পর নারী নিজ টাকায় হজ করতে পারে। আবার স্বামী যদি স্ত্রীর হজের সকল ব্যয়ভার বহন করে স্ত্রীকে হজ করান, এতেও স্ত্রীর হজের ফরজ আদায় হয়ে যাবে। (রদ্দুল মুহতার ৩/৪৫৫, বাদায়েউস সানাইয়ে ২/২৯৯-৩০০)
আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ