প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আয়োজন ৩

বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার সংকট ও সমাধান প্রস্তাব

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

ভাষার প্রতি আমাদের যে মমত্ববোধ, সেটা আমাদের সমাজ-সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত এক আবহমান আবেগ। দেশ সেখানে মাতৃতুল্য, মায়ের বাহন যেন ভাষা। এই জাগ্রত ভাষাপ্রেম তথা দেশপ্রেম থেকেই আমাদের ভাষা আন্দোলন, এবং সেই সূত্রে স্বাধীনতা অর্জন। এই ভূখণ্ডের মানুষের জন্য এ এক মহত্তম অর্জন। সেই অর্জন আমরা সাফল্যে ও শিখরে তুলতে পেরেছি কি? সেটা একটা প্রশ্ন বটে। বিগত ছয় যুগেরও বেশি সময়ে পৃথিবী এগিয়ে গিয়েছে বহুদূর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় কৌশল উদ্ভাবনে মানুষের জীবন যাত্রায় এসেছে অচিন্তিতপূর্ব পরিবর্তন। পঁয়ষট্টি বছর আগে ঢাকার শহরে বহুতল ভবন ছিল হাতেগোনা, আজ এ নগরীতে কুড়িতলা ভবন কম নেই। সেকালে ঘরে টেলিভিশন বা রেডিও থাকা ছিল সাংঘাতিক আভিজাত্যের ব্যাপার। ঘরে টেলিফোন থাকার সামাজিক গুরুত্ব ছিল ভীষণ। আজকের দিনে এই কথা ভাবলে আধুনিক নগরবাসী হাসবে।

এই ছয় যুগেরও বেশি সময়ে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে আমরা ক্রমশ উত্তরিত হয়েছি তৈরি পোশাক শিল্পের এক সম্ভাবনাময় দেশে। এখন আমাদের জিডিপির একটা বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। শিল্পকারখানা স্থাপনে আমরা বহুতর এগিয়েছি বটে, কিন্তু অনেক ফাঁকও রয়ে গেছে। বহু ক্ষেত্রে আজও মাইক্রো-ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজন আছে, সেসবের অভাবে আন্তর্জাতিক মান ছুঁতে ব্যর্থ হচ্ছি আমরা। শিল্পে অগ্রগতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি চিহ্নিত করে। দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের পুরো শিল্প-ব্যবস্থা আমদানিকৃত যন্ত্র ও যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের সমাজে আজ আঠারো কোটিরও বেশি (মে ২০২৬) মানুষ মুঠোফোন সেবা গ্রহণ করছে। কিন্তু এই সমাজে মুঠোফোন নির্মাণ হয় না। আমাদের সেই প্রযুক্তি জানা নেই। আমরা মুঠোফোন সারাতে পারি, যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপন করতে পারি। কিন্তু এর একটি অংশও তৈরি করতে পারি না। যে সমাজ মুঠোফোন ব্যবহার করে শুধু, আর যে সমাজ মুঠোফোন বানাতে পারে এ দুটো শ্রেণির মধ্যে তফাৎ আছে। গত ছয় যুগের বেশি সময় আমরা সেই উন্নত সভ্যতায় পৌঁছতে পারিনি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে আমাদের মৌখিক অবদান (লিপ সার্ভিস) যতটা বস্তু অবদান ততটা নয়। অথচ এই সময়ে ভারত এখন আন্তর্জাতিক নেতৃস্থানীয় দশায় পৌঁছে গেছে। সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত মঙ্গলযান আজ মঙ্গলে পৌঁছে গেছে।

মৌলিক বিজ্ঞান কিংবা ফলিত প্রযুক্তির চর্চা বাদই দিলাম। আমরা কি পেরেছি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কথা বাংলায় বোঝাতে-শেখাতে-পড়াতে? বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের আজ চুয়াত্তর বছর পেরিয়ে গেছে, অথচ উচ্চশিক্ষার বাহন আজও আমরা নিরঙ্কুশ বাংলায় করতে পারিনি। ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ ফসল কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড বাংলায় উচ্চশিক্ষায় অনেক পাঠ্যবই প্রণয়ন করার চেষ্টা করে। সেই ষাটের দশকে দেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দিয়ে বিবিধ বিষয়ে বাংলায় আন্তর্জাতিক মানের পাঠ্যপুস্তক রচনা করানো হয়েছিল। গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ইত্যাদি বিষয়ে অনেক পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছিল। ড. মুহম্মদ কুদরত-ই-খুদার চার খণ্ডের ঢাউস জৈব রসায়ন বইখানি এই সময়ের সৃষ্টি। অসাধারণ এক সৃষ্টি! একজন নিবেদিতপ্রাণ বিজ্ঞানীর বিপুল শ্রমে রচিত হয় এই বৃহৎ প্রয়াসটি। কিন্তু এটি জনপ্রিয় হতে পারেনি। বইটি লিখতে গিয়ে কুদরত-ই-খুদা নিজের সুবিধা এবং প্রয়োজনমতো পরিভাষা সৃষ্টি করে নিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেসব শব্দ এত দুরূহ এবং তৎসমঘেঁষা ছিল এবং জিহ্বার এত ব্যায়াম প্রয়োজন হতো যে স্বভাবতই সে প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া যায় নাইট্রোজেনকে ‘যবক্ষারজান’, পার্শিয়াল ডিস্টিলেশনকে ‘মৃদু তাকতীরন’, অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনকে ‘সুরভিচাক্রিক উদ-অঙ্গার’ বলা হলে সেটা যে শিক্ষার্থীরা নেবে না বলাই বাহুল্য। এই সমস্যা বুঝতে পেরে সত্তর ও আশির দশকে নতুন সৃষ্ট বাংলা একাডেমি মৌলিক বিজ্ঞানের বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করে দেয় যারা ওই সব বিষয়ে মান্য পরিভাষা তৈরি করবে। এভাবে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, ভূগোল ইত্যাদি বিষয়ে পরিভাষাকোষ সৃষ্টি হয়। এই পরিভাষাকোষগুলোর সাহায্যে সত্তর ও আশির দশকে আরেক ঝাঁক নবীন শিক্ষক ও বিজ্ঞানী দল আরেক সেট নতুন পাঠ্যবই রচনায় প্রবৃত্ত হন। এই সময়ে আমরা দেখেছি কয়েকজন বিদগ্ধ পণ্ডিত চেষ্টা করেছেন বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যবই রচনা করতে। যেমন ড. মুনিবুর রহমান চৌধুরী, ড. ফররুখ খলিল, ড. এ এম হারুন-অর-রশীদ, ড. মফিজউদ্দিন আহমদ, ড. রমজান আলী সরদার প্রমুখ প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞ যথাক্রমে, আধুনিক বীজগণিত, সংনম্য প্রবাহ, পদার্থবিদ্যার বিবিধ বিষয়ে, জৈব রসায়ন এবং বিশ্লেষণী গণিতের বিবিধ বিষয়ে মান্য পাঠ্যগ্রন্থ রচনা করেন। এসব পাঠ্যবই আন্তর্জাতিক মানের বিবিধ প্রচলিত টেক্সট বইয়ের আলোকে এবং অনুসরণে লেখা হয়েছিল। যেমন মৌলিক সংখ্যা বিষয়ে হার্ডি এবং রাইটের বিখ্যাত গ্রন্থ ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য থিওরি অব নাম্বার্স কিংবা চিরায়ত পদার্থবিদ্যা বিষয়ে গোল্ডস্টাইনের বিখ্যাত বই ক্লাসিক্যাল মেকানিকস অনুসৃত হলেও উল্লিখিত শিক্ষকরা তাদের নিজস্ব অনুধ্যান এবং অভিজ্ঞতার আলোকে এই বইগুলো রচনা করেছিলেন।

আমার ব্যক্তিগত অভিমত, বাংলায় পাঠ্যপুস্তক রচনার ইতিহাসে এই লেখকদের বইগুলো মাইলফলক এবং একেকটি ক্লাসিক। দুঃখের বিষয়, এই বইগুলোও পাঠ্য হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়নি। এগুলো কিছুটা সীমিত অর্থে জনপ্রিয় হয়েছিল, কেননা বিকল্প ছিল না, উপরন্তু কোনো কোনো শিক্ষক ক্লাসরুমে এসব বই ব্যবহারও করেছিলেন। কিন্তু বহুল প্রচলনের ব্যাপারটি ঘটেনি। সমস্যা বহুবিধ এখানেও। পরিভাষা একটি সমস্যা রয়েই গেল। পরিভাষা ব্যবহার করে লিখলে খটোমটো শোনায়। কারণ ভালো পাঠ্যবই লিখতে হলে ভালো বাংলা গদ্য জানতে হয়, যেটা সেই সময়কার গুটিকয়েক শিক্ষকের জানা ছিল। এর চেয়ে ইংরেজিতে লেখা প্রচলিত পাঠ্যবই সহজ বোধ হয়। এর কারণটি কিন্তু মনস্তাত্ত্বিক। শিক্ষার্থী কেবল একটি ভাষায় জারগন শিখতে চায় এবং সেটা ইংরেজিতেই। বাংলা শব্দের চমৎকার বিকল্প থাকলেও সেটা গ্রহণে সে অনিচ্ছুক। সে মাথাই খাটাবে না, মনোযোগই দেবে না। ইংরেজি ‘রেজিস্ট্যান্স’ শব্দের চমৎকার বাংলা প্রতিশব্দ ‘রোধ’ ব্যবহারে শিক্ষার্থী অনাগ্রহী। কিংবা ‘ডিফারেন্সিয়েশনের’ বাংলা ‘ব্যবকলন’ বা ‘অন্তরকলনে’ তার কোনো আগ্রহ নেই। সে দুটি ভাষায় পারঙ্গমতা অর্জনে অনাগ্রহী। কিংবা শিক্ষকরা শেখাতেও অনাগ্রহী। বাংলা পাঠ্যবই অপ্রচলনের অন্যতম কারণ, ক্লাসরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বাংলা পাঠ্যবই ব্যবহারে অনাগ্রহী। ইংরেজি টেক্সট বই তাদের কাছে অধিকতর প্রিয়। এর একটি কারণ হতে পারে এই যে, আমাদের কোর্সগুলোর আন্তর্জাতিক মান্যতা দিতে গেলে এ কথা লিখতে হয় যে পাঠদান ইংরেজি ভাষায় হয়েছে। নতুবা শিক্ষার্থীর ইংরেজি পারঙ্গমতা প্রশ্নবিদ্ধ থাকে। এই হেতু ইংরেজি টেক্সটবুক অধিকতর জনপ্রিয়, ফলে শিক্ষার্থী ইংরেজিতে ভাবতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। সে বাংলাতে শিখতেই অনিচ্ছুক। শ্রমই দেবে না। আমার একজন বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষক কিছুটা আত্মশ্লাঘায় বলেছিলেন, বোঝোই তো, বাংলায় ঠিক টেকনিক্যাল আলোচনাটা করা যায় না। কাজেই ব্যাপারটা মনস্তাত্ত্বিকও বটে।

পরিভাষা গ্রহণে অস্বাচ্ছন্দ্যের পেছনে একটি কারণ হতে পারে, আমাদের পরিভাষা তৎসম শব্দ ভারাক্রান্ত। যেমন রবার্ট রেসনিক ও ডেভিড হ্যালিডের বিপুল জনপ্রিয় ফিজিক্স বইটি বাংলা একাডেমি যখন অনুবাদ করল, সেটা এতই সংস্কৃত-গন্ধি হলো যে শিক্ষার্থীরা সেটা গ্রহণ করল না। ‘সিস্টেমের’ বাংলা সেখানে ‘সুব্যবস্থা’ হলে ব্যাপারটা সহজেই বোধগম্য। বইটির প্রথম চারটি বাক্য ছিল এমন :

When plans were being made to lay the first Atlantic telegraph cable, the company in charge of the construction hired a young engineer, William Thomson (1824-1907), as a consultant. To solve some of the problems raised by this undertaking, Thomson made many accurate electrical measurements. Often he used instruments which he himself had invented

এর বাংলা হলো এমন :

যখন প্রথম অতলান্তিক টেলিগ্রাফ কেবল স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছিল, সে সময় এ কার্যে ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি, উইলিয়াম থমসন (১৮২৪-১৯০৭) নামক একজন তরুণ প্রকৌশলীকে উপদেষ্টারূপে নিয়োগ করেন। এই প্রকল্পে উদ্ভূত কতকগুােল সমস্যা সমাধানের জন্য থমসন অনেকগুলো নির্ভুল তড়িৎ সংশ্লিষ্ট পরিমাপন সমাধা করেন। প্রায়শ তিনি স্বোদ্ভাবিত যন্ত্রাদি ব্যবহার করেছিলেন। 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর অনুবাদ করেছে :

প্রথম আটলান্টিক টেলিগ্রাফ কেবল স্থাপনের পরিকল্পনা যখন করা হচ্ছিল, তখন নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা কোম্পানিটি উইলিয়াম থমসন (১৮২৪-১৯০৭) নামের এক তরুণ প্রকৌশলীকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়। এই কর্মযজ্ঞে উদ্ভূত কিছু সমস্যার সমাধান করতে থমসন বৈদ্যুতিক পরিমাপের ক্ষেত্রে অনেক নিখুঁত পরিমাপ করেছিলেন। প্রায়শই তিনি এমন সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতেন যা তিনি নিজেই উদ্ভাবন করেছিলেন।

অনুবাদ প্রাঞ্জল না হলে, সেটা পড়ে সহজে বোঝা সম্ভব না হলে শিক্ষার্থীরা গ্রহণ করবে না। কাজেই আমাদের উচিত হবে, প্রেজুডিস ত্যাগ করে মুখের ভাষার কাছাকাছি ভাষায়, যেভাবে ক্লাসে পাঠদান করা চলে, তেমন ভাবে বই লেখা। সেসব বই ক্লাসে ব্যবহার করা। ক্লাসে ব্যবহার না করলে বই প্রচলন হবে না। ইংরেজি শব্দের চমৎকার বাংলা প্রতিরূপ না থাকলে ইংরেজিতেই রাখা যেতে পারে অহেতুক বাতুলতা পরিহার করে। কেউ বলে না যে ‘হিমায়ক হতে কোক আনো’, সবাই বলে ‘ফ্রিজ খুলে কোক আনো’।

এ-প্রসঙ্গে অধুনা এআই ব্যবহারের চল শুরু হয়েছে, এবং বহু ভাষাতেই এই অনুষঙ্গ চলে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু অনুবাদে নয়, জীবনের বহুতর ক্ষেত্রে আমাদের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনেছে বা আনবে। ফলে বহুল প্রচলিত ইংরেজি টেক্সট বইগুলোকে সরাসরি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল-ভিত্তিক কোনো এআই দিয়ে দেদার অনুবাদ করিয়ে নিয়ে একাধিক বিশেষজ্ঞ প্রফেসরদের দিয়ে দেখিয়ে নিয়ে সংশোধন, সংযোজন করে নিলেও কিন্তু দারুণ হয়। আধুনিক প্রযুক্তিও নিলাম, বিজ্ঞানের অনুবাদের কাজও হলো, বিজ্ঞানকে পৌঁছানোও হলো। আমার ধারণা, এটি একটি চমৎকার আইডিয়া হতে যাচ্ছে, বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ অধ্যাপকদের যেহেতু ভাষা পুরাতন ধাঁচের, এবং তরুণ শিক্ষকদের আবার বাংলা গদ্য শিখে লেখার ধৈর্য নেই, অতএব, মেশিনের সাহায্য নয় কেন, যদি এটি ভালো গদ্যের বোধগম্য ভাষায় অনুবাদ দিতে পারে?

যেহেতু বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের নতুন বিষয় তৈরি হয় না, আমাদের দেশে পশ্চিমা বিশ্বের যে কোনো দেশের তুলনায় অতি নগণ্য গবেষণা হয় এবং ততোধিক নগণ্য ফান্ড পাওয়া যায়। কাজেই বৈজ্ঞানিক গবেষণার আবহটি তৈরি করতে না পারলে সমস্যাটা রয়েই যাবে। তথাপি বিজ্ঞানের বিষয়াবলির যারা শিক্ষক তারা যতক্ষণ না লেখালেখিতে এগিয়ে আসছেন, বাংলা পাঠ্যবইয়ের ঊনতা ঘুচবে না।

লেখক : সংগঠক, গবেষক এবং অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত