ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মালিক’ সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে সাফল্যের পর এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। আজ ১২ জুন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এই তারকা। সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনী ও অন্যান্য প্রসঙ্গে বিস্তারিত কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক আনন্দ
দেশে ‘মালিক’ সিনেমা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছে। এবার সিনেমাটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন। অস্ট্রেলিয়া ট্যুরের বিস্তারিত জানতে চাই।
দেশের দর্শকদের ভালোবাসার পর এবার অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছি। আজ সিডনির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ব। ১৩ ও ১৪ জুন সিডনির হোইটস ব্যাংকস্টাউন প্রেক্ষাগৃহে ‘মালিক’-এর প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে।
পুরো আয়োজনটি করছে বঙ্গোজ ফিল্মস। সিডনি ছাড়াও মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমি প্রতিটি আয়োজনেই সশরীরে উপস্থিত থাকব।
প্রবাসী দর্শকদের নিয়ে আপনার বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি?
প্রিমিয়ারে উপস্থিত থেকে দর্শকদের সঙ্গে বসে সিনেমাটি উপভোগ করব। সিনেমা দেখার পাশাপাশি প্রবাসী দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় ও আড্ডার একটা দারুণ সুযোগ তৈরি হবে।
দেশে দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে হলের সংখ্যা আরও বাড়ল...
আল্লাহর অশেষ রহমত এবং দর্শকদের ভালোবাসায় দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে প্রদর্শনী আরও বেড়েছে। বেশ কিছু নতুন প্রেক্ষাগৃহ যুক্ত হয়েছে। রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন জেলার দর্শকরা এখন সিনেমাটি দেখতে পারছেন, এটাই আমাদের বড় সার্থকতা।
অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী দর্শকদের উদ্দেশে আপনার বার্তা কী?
১৩ ও ১৪ জুন সিডনিতে দর্শকদের মাঝে উপস্থিত থাকছি। সিডনি প্রিমিয়ারে সাড়া ভালো পেলে অন্যান্য শহরেও প্রদর্শনীর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সবাইকে অনুরোধ করব, পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এসে ‘মালিক’ দেখুন।
‘জ্যাজ সিটি’র সরল তরুণ আর ‘মালিক’-এর অ্যাকশন লুক, দুই বিপরীত চরিত্রে দারুণ মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। এই রূপান্তর কীভাবে সম্ভব হলো?
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করি। বলিউড সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’-তে সত্তরের দশকের রেট্রো লুকের পর ‘মালিক’-এ লম্বা চুল, ঘন দাড়ি আর রাফ অ্যাকশনধর্মী লুকে দর্শক আমাকে গ্রহণ করেছেন। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে এই দুই বিপরীতধর্মী রূপ নিয়ে দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া আমাকে দারুণ অনুপ্রাণিত করছে।
‘মালিক’-এর পরিচালক সাইফ চন্দন বলছিলেন এই লুক ও শুটিংয়ের জন্য আপনি মাথায় ঘা হওয়া এবং অগ্নিদগ্ধ হওয়ার মতো অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
পরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা যে তিনি আমার এই ডেডিকেশনকে মূল্যায়ন করেছেন। শুটিং শুরুর প্রায় চার মাস আগে থেকেই এই লুকের প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল এবং দীর্ঘ সময় তা ধরে রাখতে হয়েছে। চরিত্রের প্রয়োজনে যে কোনো ধরনের কষ্ট বা ত্যাগ স্বীকার করতে আমি সবসময়ই প্রস্তুত।
দর্শক আপনার পরবর্তী কাজের অপেক্ষায় মুখিয়ে আছে। নতুন কী আসছে?
পরবর্তী কাজ কী হবে, সেটা দেশে নাকি দেশের বাইরে, এই রহস্য আপাতত জিইয়ে থাক। সঠিক সময়ে দর্শক জানতে পারবেন।