ফোনে শুভেচ্ছা, এরপরই বৈঠকের সিদ্ধান্ত ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:০০ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই আলাপে দুই নেতা খুব শীঘ্রই সরাসরি বৈঠকে মিলিত হওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান। নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতার রক্ষাকবচ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ইসরায়েল অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই কথোপকথনের এক পর্যায়ে দুই নেতা অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সরাসরি বৈঠকে মিলিত হওয়ার বিষয়ে একমত হন।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সেপ্টেম্বর মাসে এই দুই নেতার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত নয়; কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত না হওয়ায় বৈঠকটি আরও আগে হওয়ার সুযোগও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েল এবং বিশেষ করে নেতানিয়াহুর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছিলেন। তবে সেই টানাপোড়েনের মধ্যেই শুক্রবার এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো।

এর আগে কয়েক সপ্তাহ আগে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। তিনি সে সময় নেতানিয়াহুর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‌‘ইসরায়েলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার এবং শক্তিশালী। নেতানিয়াহু একজন যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী, তাকে সেই স্বীকৃতিই দেওয়া উচিত।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে আমরা খুব ভালো সম্পর্ক রেখেছি এবং দেশটির জন্য আমরা অনেক লড়াই করেছি।’

সূত্র: আল-জাজিরা

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত