ইরানের বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ এএম

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে দেশটির বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। নতুন করে সংঘাত শুরুর পর টানা সপ্তম রাতে ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র; যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও পানিশোধন কেন্দ্র। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের নজরদারি স্থাপনা, সামরিক অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভা-ার এবং সামুদ্রিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জবাবে গতকাল শনিবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর নতুন করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় হরমোজগান প্রদেশের জাস্ক কাউন্টির উপকূলীয় বুনজি গ্রামের পানিশোধন কেন্দ্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি পানি পরিশোধন কেন্দ্রের একটি বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হরমোজগান ওয়াটার অ্যান্ড ওয়েস্টওয়াটার কোম্পানির সিইও হামজেহ পুর বলেন, এতে প্রায় ১০ হাজার জনসংখ্যার ২০টি গ্রামে সুপেয় পানির সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, বাহরাইনে হামলায় ডিপোতে থাকা সামুদ্রিক ড্রোনের বেশিরভাগই পুড়ে গেছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্র সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গতকাল শনিবার ভোরে কুয়েতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে দেশটির পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিমান উড্ডয়ন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে এবং আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি রাডার স্থাপনা ধ্বংস করেছে। কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে আকস্মিক হামলায় একটি দূরপাল্লার রাডার ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি কৌশলগত আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান ধ্বংস করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত