বাংলাদেশ ডিজিটাল রাষ্ট্র গঠনের পথে এগোলেও দুর্নীতি অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এখনো অনেকটাই অ্যানালগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক)। একটি অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হলে তার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ৮০ প্রতিষ্ঠানে আলাদাভাবে তলবি নোটিস পাঠাতে হয়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তথ্য পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। কোথাও মাসের পর মাস কোনো উত্তর আসে না, কোথাও অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়, আবার কোথাও একাধিকবার তাগাদা দিয়েও কাক্সিক্ষত নথি পাওয়া যায় না। ফলে ৯০ কর্মদিবসে শেষ হওয়ার কথা যে অনুসন্ধান, তা অনেক ক্ষেত্রে দুই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত ঝুলে থাকে।
দুদকের একাধিক বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের চেয়ে এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তথ্য সংগ্রহ। একজন ব্যক্তির অবৈধ সম্পদের প্রকৃত চিত্র জানতে ব্যাংক হিসাব, ঋণ, আয়কর রিটার্ন, জমি-ফ্ল্যাটের মালিকানা, কোম্পানির শেয়ার, গাড়ির নিবন্ধন, সঞ্চয়পত্র, বিদেশ ভ্রমণের তথ্য, মোবাইল আর্থিক সেবার লেনদেন এবং স্ত্রী-সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের নামে থাকা সম্পদের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হয়। কিন্তু এসব তথ্য এক জায়গায় নেই। প্রতিটি তথ্যের জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠানে নোটিস পাঠাতে হয়, আর সেখান থেকেই শুরু হয় দীর্ঘসূত্রতা।
দুদকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন ও তার স্ত্রীর শামসুন নাহারের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়। দেড় বছরের বেশি সময় পার হলেও তথ্য না পাওয়ায় অনুসন্ধান শেষ হচ্ছে না। শুধু প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন নন, তার মতো আরও অনেকের অভিযোগের অনুসন্ধান আটকে আছে তথ্য না পাওয়ার কারণে।
দুদকের তথ্য বলছে, সংস্থাটিতে প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১ থেকে দেড় হাজার অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয়। এ ছাড়া পুরনোসহ বছরে ৪ থেকে ৫ হাজার অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান থাকে। এর মধ্যে হাজারখানেক অভিযোগের অনুসন্ধান সম্পন্ন হয়। কোনো কোনো অভিযোগ নির্ধারিত সময় বা তার কাছাকাছি সময়ে সম্পন্ন করা গেলেও বেশির ভাগ অভিযোগের অনুসন্ধান কাজ এক বছর থেকে কয়েক বছর লেগে যায়।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, একটি অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে দেশের ৫৯টি তফসিলি ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), রাজউক, বিআরটিএ, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, নির্বাচন কমিশনের এনআইডি শাখা, ভূমি অফিস, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন, রিহ্যাব, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর, শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আলাদাভাবে নোটিস পাঠাতে হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়ার পর আবার নতুন তথ্যের প্রয়োজন দেখা দিলে নতুন করে অন্য প্রতিষ্ঠানে নোটিস দিতে হয়। এভাবেই মাসের পর মাস, কখনো বছরের পর বছর অনুসন্ধান চলতে থাকে।
এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পদের মালিকানা পরিবর্তন, ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়া, কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর কিংবা আত্মীয়-স্বজনের নামে সম্পদ স্থানান্তরের সুযোগ পান। অনেক ক্ষেত্রে অর্থ বিদেশে পাচার করেও পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
দুদক কর্মকর্তাদের মতে, যদি অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তারা আইনসম্মতভাবে এনআইডি, ব্যাংক হিসাব, ট্যাক্স ফাইল, গাড়ির মালিকানা, পাসপোর্ট এবং প্লট-ফ্ল্যাটের তথ্য ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় দ্রুত যাচাই করতে পারতেন, তাহলে অনুসন্ধান অনেক দ্রুত ও কার্যকরভাবে শেষ করা সম্ভব হতো। কিন্তু বর্তমানে দুদকের এমন কোনো সার্চ সুবিধা নেই। তাদের মতে, সংস্থার কার্যক্রমে গতি আনতে ডিজিটালাইজেশন অপরিহার্য।
সুশাসন ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই শুধু আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতার ওপর নয়, তথ্যপ্রাপ্তির গতির ওপরও নির্ভর করে। যখন রাষ্ট্রের অধিকাংশ সেবা ডিজিটাল হচ্ছে, তখন দুর্নীতি অনুসন্ধান যদি এখনো কাগজের নোটিস ও ডাকযোগে চিঠির ওপর নির্ভরশীল থাকে, তাহলে অনুসন্ধান বিলম্বিত হওয়াই স্বাভাবিক।
লোক মারফতে পাঠানো হয় তলবি নোটিস : দুদকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এখনো অধিকাংশ অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নোটিস ডাকযোগে বা কুরিয়ারে পাঠানো হয়। পরে অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি করে, তারা নোটিস পায়নি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ নোটিস হাতে হাতে পৌঁছে দিতে হয়। এ কাজের জন্য আলাদা জনবল বা সরকারি বরাদ্দ না থাকায় অনেক সময় অফিস শেষে কর্মচারীদের দিয়েই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নোটিস পাঠানো হয়। আর এর খরচ কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হয়। তাদের মতে, নিরাপদ ডিজিটাল নোটিস ব্যবস্থা চালু হলে অনুসন্ধানের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এনআইডি সার্চের সুযোগ নেই : দুদকের কর্মকর্তারা বলেন, অনুসন্ধানের প্রথম ধাপই হলো অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা। কিন্তু দুদকের নিজস্বভাবে এনআইডি যাচাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। ফলে অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহে অন্য প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হয়। একজন উপপরিচালক বলেন, এনআইডি নম্বর দিয়ে যদি শুরুতেই একজন ব্যক্তির পরিচয় ও পরিবারের তথ্য যাচাই করা যেত, তাহলে পরবর্তী সময়ে অনুসন্ধান অনেক সহজ হতো। বর্তমানে ব্যাংক, এনবিআর, বিআরটিএ ও রাজউকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের ব্যবস্থা থাকলেও দুর্নীতি অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুদকের নেই।
এনবিআরের ট্যাক্স ফাইল পেতে মাসের পর মাস : দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখার একজন সহকারী পরিচালক জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের আয়কর রিটার্ন, সম্পদবিবরণী ও কর নথি সংগ্রহ করতেই দীর্ঘ সময় চলে যায়। কারণ প্রথমে জানতে হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যাক্স ফাইল কোন কর অঞ্চল ও সার্কেলে রয়েছে। এ জন্য প্রথমে এনবিআরের কাছে আবেদন, পরে সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলে পাঠানো এবং শেষে সার্কেল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দুদকে পাঠানোর দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লেগে যায়। তিনি বলেন, এনআইডির মাধ্যমে যদি সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল শনাক্ত করা যেত, তাহলে সরাসরি সেখানে নোটিস পাঠিয়ে অনেক কম সময়ে তথ্য পাওয়া সম্ভব হতো।
রেজিস্ট্রি অফিস, রাজউক ও বিআরটিএতে জটিলতা : অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে জমি, ফ্ল্যাট বা প্লটের মালিকানা যাচাই করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ডিজিটাল তথ্যভান্ডার না থাকায় পুরনো রেজিস্টার ঘেঁটে তথ্য বের করতে হবে। এতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও তথ্য পাওয়া যায় না। একই ব্যক্তির নামে বিভিন্ন জেলায় সম্পত্তি থাকলে প্রতিটি জেলায় আলাদা নোটিস পাঠাতে হয়।
রাজউকের ক্ষেত্রেও পুরো তথ্য পাওয়া যায় না। সংস্থাটি থেকে দেওয়া প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দের তথ্য মিললেও ভবনের নকশা অনুমোদন, নির্মাণ অনুমতি কিংবা সংশোধিত নকশার তথ্য অনেক সময় দেওয়া হয় না। একইভাবে বিআরটিএ থেকে গাড়ির নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা একাধিক যানবাহনের তথ্য পেতেও বিলম্ব হয়। ভূমি অফিস, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন দপ্তরেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। ভূমি উন্নয়ন কর, নামজারি, খাজনা কিংবা হোল্ডিং-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে দীর্ঘ সময় লাগে। কোথাও রেকর্ড হালনাগাদ নয়, কোথাও ডিজিটাল ডাটাবেজ অসম্পূর্ণ, আবার কোথাও প্রশাসনিক অনুমোদনের কারণে বিলম্ব হয়। ফলে একটি তথ্যের সঙ্গে আরেকটি তথ্য মিলিয়ে দেখার পুরো প্রক্রিয়াই ধীর হয়ে পড়ে।
দীর্ঘসূত্রতায় দুর্বল হয় মামলা : দুদকের কর্মকর্তারা জানান, অনুসন্ধান দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলে সাক্ষ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এ সময়ের মধ্যে সম্পদের মালিকানা পরিবর্তন, ব্যাংক হিসাব বন্ধ, নতুন হিসাব খোলা, কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর কিংবা আত্মীয়-স্বজনের নামে সম্পদ লিখে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। অনেক সাক্ষী চাকরি পরিবর্তন করেন, অবসরে যান বা প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষিত না থাকায় পরে তথ্য সংগ্রহ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শক্তিশালী মামলাও দুর্বল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মই সমাধান : দুদকের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের মতে, অনুসন্ধানের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা দুর্নীতির অভিযোগ নয়, প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করতে না পারা। তাই সরকারি বিভিন্ন সংস্থার তথ্যভা-ারের মধ্যে আইনসম্মত ও নিরাপদ ডিজিটাল সংযোগ গড়ে তোলা প্রয়োজন। তারা বলেন, অনুমোদিত অনুসন্ধান কর্মকর্তাদের জন্য একটি নিরাপদ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেতে পারে, যেখানে নির্ধারিত অনুমোদনের ভিত্তিতে এনআইডি, আয়কর, ব্যাংক হিসাব, জমি, ফ্ল্যাট, কোম্পানির শেয়ার, যানবাহন ও পাসপোর্টসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা যাবে। একইসঙ্গে কে, কখন এবং কী তথ্য দেখেছেনতার ডিজিটাল লগ সংরক্ষিত থাকবে, যাতে তথ্যের অপব্যবহার রোধের পাশাপাশি জবাবদিহিও নিশ্চিত হয়।
দুদকের একজন মহাপরিচালক বলেন, এনআইডি, বিআরটিএ, এনবিআর, রাজউকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য ডিজিটালভাবে সার্চের সুযোগ চেয়ে কমিশন কখনো সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। কমিশন চাইলে এ সক্ষমতা অর্জন করতে পারত। আইন অনুযায়ী, যেকোনো প্রতিষ্ঠান দুদকের চাহিদামতো তথ্য দিতে বাধ্য এবং তথ্য না দিলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধানও রয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত তথ্য না দেওয়ার অভিযোগে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই মামলা হয়নি। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হলে অন্য সংস্থাগুলোও দ্রুত তথ্য দিতে বাধ্য হতো।
সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের সাবেক মহাপরিচালক (লিগ্যাল ও প্রসিকিউশন) মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, দুদকের কার্যক্রমে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা সময়ের দাবি। দুর্নীতির অভিযোগের অধিকাংশই আর্থিক অনিয়মসংক্রান্ত। তাই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যাংক লেনদেনসহ অন্যান্য আর্থিক তথ্য আইনসম্মতভাবে দ্রুত যাচাই করা গেলে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ সহজ হবে। এসব তথ্য অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
তিনি বলেন, দুদকের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যভা-ারে অনুমোদিত প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়ে অতীতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কমিশনেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সেটি কেন বাস্তবায়িত হয়নি বা কোথায় আটকে আছে, তা তার জানা নেই। তার মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হওয়া উচিত।
মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এনআইডি তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ পায়। তাই দুদককে একই ধরনের অনুমোদিত প্রবেশাধিকার দিতে কোনো অসুবিধা থাকার কথা নয়। এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হলে অনুসন্ধান ও তদন্তে উল্লেখযোগ্য গতি আসবে। অনুসন্ধান কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমেও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন প্রয়োজন, যাতে অনুসন্ধান ও তদন্ত আরও দ্রুত, কার্যকর এবং প্রমাণনির্ভর করা সম্ভব হয়।
