লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)-এর সপ্তম আসরে গল গ্যালান্টসের হয়ে শিরোপার উল্লাসে মজেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান। তবে ফাইনালে ছিলেন না একাদশে, পুরো আসরেই গলের জার্সিতে তাকে দেখা গেছে মোটে দুই ম্যাচে। মাঠে বড় কোনো অবদান না রেখেই ফাইনালে দেশের দুই তারকা সতীর্থ সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয়দের জাফনা কিংসকে হারিয়ে ট্রফি জেতার স্বাদ পেলেন সোহান।
কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে কেবল ১২৪ রান তোলে জাফনা কিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় গল। এতেই ট্রফি উল্লাসে মেতে ওঠে ফ্রাঞ্চাইজিটি। দলের স্কোয়াডে থাকা সোহান এবারের আসরে সুযোগ পেয়েছিলেন কেবল দুটি ম্যাচে, যেখানে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬২ রান। ফাইনালে একাদশের বাইরে বেঞ্চে বসেই কাটাতে হয় তাকে।
এদিকে জাফনার হয়ে আগের ম্যাচগুলোতে দুর্দান্ত ব্যাট করলেও ফাইনালে একদমই হাসেনি হৃদয়ের ব্যাট; ১০ বল খেলে মাত্র ১০ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। যদিও পুরো আসরে ৫ ম্যাচ খেলে ৭৫.৫৯ গড়ে ১৫১ রান এবং ২০০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট নিয়ে হৃদয় ছিলেন দারুণ উজ্জ্বল।
অন্যদিকে, ব্যাট হাতে নিস্প্রভ থাকলেও ফাইনালে বোলিংয়ে দারুণ পারফর্ম করেন সাকিব। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করে ২ উইকেট শিকার করেন তিনি। তবে পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে নিজের ছায়া হয়ে থাকা সাকিব ৯ ম্যাচের মাত্র ৪ ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে করেন মোটে ৪১ রান, যদিও বল হাতে তার পকেটে জমা হয় ১১টি উইকেট।
এর আগের ছয় আসরে তিনবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সাকিব-হৃদয়দের জাফনা কিংস। সপ্তম আসরে এসে চতুর্থ শিরোপার খুব কাছে গিয়েও ফাইনালে নিস্প্রভ থেকে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাদের।
ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়ে ফিফার কঠোর হুশিয়ারি