চন্দনাইশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ দোকান পুড়ে ছাই 

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রবিবার (৯ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গাছবাড়িয়া খাঁনহাট এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। তবে ক্ষতিগ্রস্ত দুই দোকান মালিক মো. আরিফ ও জহির উদ্দিন দাবি করেছেন, জায়গা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।

খবর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ও পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানার একদল পুলিশ ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
 
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মো. শাহ আলমের চায়ের দোকান, মো. ফারুক ও সুমনের আমের গুদাম, প্রিয়তোষ শীলের সেলুন, মো. লোকমানের পানের দোকান, আজগরের বিস্কুটের দোকান ও নুরুল আলমের পানের দোকান। আগুনের লেলিহান শিখা মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক শাহ আলম বলেন, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাই। এর আগে বিদ্যুৎ লাইনসহ সবকিছু ভালোভাবে দেখেই দোকান বন্ধ করেছি। সকালে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি দাউ দাউ করে দোকানে আগুন জ্বলছে। আগুনে ফ্রিজ, নগদ টাকা ও দোকানের মালামাল পুড়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. কামরুল হাছান জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ও পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এবং স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দ্রুত আগুন নেভানো না গেলে পার্শ্ববর্তী বড় মার্কেট ও ব্যাংকটিও আগুনের কবলে পড়ত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত