পুঁজিবাজারে সূচকের পতন থামছেই না। উল্টো সময় যত গড়াচ্ছে ততই অবস্থা আরও বেগতিক হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজও সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতন হয়েছে। একইভাবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। একই সঙ্গে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। তবে সেখানে মূল্যসূচক নিম্নমুখী ছিল।
গতকাল ডিএসইতে মোট ১৫১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দর হারিয়েছে ১৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। আর ৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল।
ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। এ শ্রেণির ৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ৯০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১০টির।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৮ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচকটি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৮ পয়েন্টে। একইভাবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক চার পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণেও নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। রবিবার ডিএসইতে মোট ৪৮২ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৫৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, সিএসইতে মোট ১৮০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টির দাম বেড়েছে, ৮৪টির কমেছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর কমায় এক্সচেঞ্জটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮২ পয়েন্ট হারিয়েছে।
তবে দরপতনের মধ্যেও সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন শেষে বাজারটিতে মোট ২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ১৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।