অস্থির পোশাক খাত

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ এএম

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে গতকাল রবিবার পুলিশের দিনভর সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল ও কালিয়াকৈর, ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া এলাকা। মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুলিশের গাড়িতে আগুন, ভাঙচুর ও মেট্রোরেলের তিন স্টেশনে সেবা সাময়িক বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন মানুষজন। অন্যদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে পুলিশ বক্স, ব্যাংক, কারখানা ও দোকানপাট ভাঙচুর এবং একটি কারখানার গোডাউনে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, অতিরিক্ত পুলিশ ও এসআরবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিন স্থানে সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ও আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই সব এলাকার ৩ শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। চরম অস্থির হয়ে উঠেছে পোশাকখাত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গতকাল সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি অস্থিরতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এ দিকে আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মিরপুর ও গাজীপুর থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ ৩৮ জনকে গতাকল গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মিরপুর : সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে মিরপুর ১, ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর, পল্লবী, কাজীপাড়া ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন। এতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ১১টার কিছু সময় আগে পুলিশ শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এতে সাড়া না মিললে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়লে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া।

সরেজমিন দেখা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকা ও এর আশপাশে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ার পাশাপাশি লাঠি হাতে সাধারণ মানুষকেও সড়ক থেকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। হঠাৎ পুলিশের এমন কঠোর অবস্থানে ফুটপাত ও আশপাশে থাকা উৎসুক জনতা ও সাধারণ পথচারীরাও আতঙ্কে দিগি¦দিক ছুটতে শুরু করেন। বন্ধ হয়ে যায় আশপাশের সব দোকানপাট ও বিপণিবিতান। বিকেলের দিকে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও সাধারণ মানুষের মনে রয়ে যায় আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার রেশ।

পুলিশের গাড়িতে আগুন : দুপুরের দিকে মিরপুর-১১ নম্বরে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন শ্রমিকরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে গেলে শ্রমিকরা তাদের ধাওয়া দেন। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন বলেন, পুলিশের গাড়িতে আগুনের খবরে পল্লবী স্টেশনের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। পরে শুনেছি, আন্দোলনকারীরা আগুন নেভাতে বাধা প্রদান করেছেন।

এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে মিরপুর-১০, ১১ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সড়ক ও মেট্রো যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ। দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশ পোশাকশ্রমিকদের হটিয়ে দিলে সড়কে আবার যান চলাচল শুরু হয়। এরপর স্টেশনগুলোও খুলে দেওয়া হয়। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের পর স্টেশন তিনটি বন্ধ রাখা হয় বলে জানিয়েছিলেন মেট্রোরেল পুলিশের (এমআরটি পুলিশ) অপারেশন বিভাগের পরিদর্শক মো. মহসীন শেখ।

আন্দোলনরত শ্রমিক সুমন শেখ বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মজুরির দাবি জানিয়ে আসছেন, কিন্তু সরকার তাদের দাবি বিষয়ে কিছুই বলছে না। তাই বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

টিয়ার গ্যাসে নাস্তানাবুদ শিক্ষার্থী-অভিভাবক : পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলের ঝাঁজালো ধোঁয়ায় আকস্মিক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে স্কুলপড়–য়া কোমলমতি শিশু ও তাদের অভিভাবকরা। অনেকেরই চোখ জ্বালা করতে শুরু করে এবং নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। মিরপুর-১১ নম্বরের হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া আখি সরকারের বাবা নোলক সরকার  বলেন, ‘দুপুরে স্কুল ছুটির আগে থেকেই মিরপুর ১১-তে ঝামেলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে হঠাৎ চারপাশ ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। মুহূর্তেই চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া আর দম বন্ধ হয়ে আসার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। আমার বাচ্চাটা ভয়ে শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠছিল আর বলছিল, আব্বু আমার চোখ জ্বলছে, নিঃশ্বাস নিতে পারছি না। চারদিকে পুলিশ আর শ্রমিকদের ছোটাছুটি আর টিয়ারশেলের শব্দ। এমন পরিস্থিতি দেখে আমি বাচ্চাকে নিয়ে আবারও স্কুলের ভেতরে চলে যাই। আন্দোলনের দাবি যাই থাকুক, ছোট বাচ্চাদের তো কোনো দোষ নেই।’

আন্দোলন ও সংঘর্ষের প্রভাব পড়ে পুরো এলাকার জনজীবনে। প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এর মধ্যে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার প্রবেশপথে থাকা নিরাপত্তা গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিভাবক মো. কাওছার কামাল বলেন, ‘মেয়েকে আনতে যাচ্ছি। রিকশা নিয়ে যেতে পারছি না। স্কুলে ফোন দিচ্ছি, কেউ ফোন ধরছে না। কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। বাধ্য হয়ে হেঁটে রওনা দিয়েছি।’

আ.লীগের বিরুদ্ধে উসকানি ও নাশকতার অভিযোগ : এদিকে আন্দোলনের মধ্যে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে মিরপুর থেকে ২৯ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খাঁন বলেন, সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নাশকতার চেষ্টা করছেন। মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা নাশকতার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীদের ঢাকায় এনেছেন। শতাধিক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের শনাক্ত করে আটকের অভিযান চলছে।

এর আগে দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) উত্তরের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে সরকারবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চক্র যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে। সংঘর্ষে পুলিশের পল্লবী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. জাহিদ হোসেন, তার বডিগার্ড কনস্টেবল বুলেট বর্মন এবং একটি গণমাধ্যমের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আহত হয়েছেন।

গাজীপুর ও কালিয়াকৈর : একই দাবিতে গতকাল গাজীপুর শিল্পাঞ্চল ও কালিয়াকৈর এলাকার মহাসড়ক অবরোধ, একটি পুলিশ বক্স ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ব্যাংক, বিভিন্ন কারখানা ও গোডাউনে ভাঙচুর চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। তারা পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। গাজীপুরে সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত টানা অবরোধ ও বিক্ষোভ চলে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ওসিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লাঠিসোটা ও লোহার পাইপ হাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন হাজারো শ্রমিক। সড়কের মাঝখানে মোটরসাইকেল ও কাঠের জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্সে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।  এ সময় তারা বেশ কয়েকটি কারখানার গেট এবং যমুনা ব্যাংক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবস্থিত একটি কারখানার গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কয়েকজন সংবাদকর্মীকেও মারধর করেন শ্রমিকরা। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর এলাকার অধিকাংশ কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, এসআরবি, শিল্প পুলিশ, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করে। পরে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালিয়াকৈরে রতনপুর এলাকার করনী নিট কম্পোজিট, নিট এশিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবস্থান করেন। পরে উপজেলার তেলিচালা, মৌচাক, সফিপুর বাজার, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকরাও বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন কারখানার মূল ফটকে ভাঙচুর চালিয়ে শ্রমিকদের বাইরে বের করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ রেখে লাঠিসোটা হাতে মিছিল করেন। ওই মহাসড়কের মৌচাক এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ বক্স ভাঙচুর চালান বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এরপর সফিপুর এলাকায় মহাসড়কে থাকা একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। পরে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকরা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে যমুনা ব্যাংকের একটি শাখা, দোকানপাটসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাঙচুর চালায়। এ সময় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

শ্রমিকরা বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, আমাদের বেতন কত করা হয়েছে তার ঘোষণা দিতে হবে। সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা করতে হবে।’

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন গত কয়েক দিন ধরে চলছে। যার কারণে ৩০ থেকে ৩৫টি কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, এসআরবি, জেলা, মহানগর ও শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অনন্য বাহিনীও মাঠে রয়েছে। জেলা প্রশাসক শ্রমিকদের ইস্যুটি গুরুত্বসহকারে তদারকি করছে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের বুঝিয়েও সড়ক থেকে সরানো যাচ্ছিল না। তাদের ইটের আঘাতে তিনিসহ কয়েকজন পুলিশ আহত হন। শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 

গাজীপুর শিল্প-২ পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানা, শিল্প পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা কাজ করছেন। তবে বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত