জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের উদ্বোধনী দিনে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন অভিজ্ঞ তাইবুর রহমান। তাঁর চমৎকার সেঞ্চুরিতে বড় স্কোরের পথে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। অন্যদিকে, বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন তরুণ পেসার সানজিদ মজুমদার।
তাইবুরের ব্যাটে ঢাকার বড় সংগ্রহ
রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে ঢাকা। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় উদ্বোধনী জুটিতে ভালো ভিত পান তারা। দুই ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি ৫৬ ও আনিসুল ইসলাম ৪৫ রান করেন। এছাড়া তিনে নেমে ফয়সাল সরকার উপহার দেন ৭০ রানের একটি ইনিংস।
মাঝের সারিতে কিছু উইকেট দ্রুত হারিয়ে দল কিছুটা চাপে পড়লেও অভিজ্ঞ তাইবুর রহমান ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের দায়িত্বশীল জুটি সেই বিপদ কাটিয়ে ওঠে। ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে এটি তাইবুরের নবম সেঞ্চুরি। ১৫টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫২ বলে ১২৮ রান করে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। আর আমিনুল ইসলাম ৫৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন। দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৬৮ রান।
সানজিদের পেস তোপে ধসে পড়ল রংপুর
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রামের পেসার সানজিদ মজুমদার। পেসারদের সহায়ক উইকেটে মাত্র ৪১ রান খরচ করে ৫টি উইকেট তুলে নেন ২০ বছর বয়সী এই পেসার। তাঁর বোলিং তোপে মাত্র ১৬৬ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৮ রান আসে ওপেনার অনিক সরকার সেতুর ব্যাট থেকে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম বিনা উইকেটে ৫৯ রান তুলে দিন শেষ করে।
ফিফটির ছড়াছড়ি সিলেটে
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে রাজশাহীর মুখোমুখি হয়েছে সিলেট। এই ম্যাচে সিলেটের তিন ব্যাটার ফিফটি পেলেও কেউই শতকের দেখা পাননি। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা মাজহারুল হক করেন ৫০ রান। অধিনায়ক জাকির হাসান চারে নেমে করেন ৬৫ রান। এছাড়া দারুণ ছন্দে থাকা আশরাফুল হাসান সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও দিনের শেষ ওভারে ৮৩ রানে আউট হন। পরের বলেই নাঈম আহমেদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে রেখেছেন নিহাদ উজ জামান। প্রথম দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩২৯ রান।
ময়মনসিংহের সংগ্রহ ২৪৭ রান
জাতীয় দলের সঙ্গে সিলেটে থাকায় এই রাউন্ডে ময়মনসিংহের মূল ভরসা মাহফিজুল ইসলাম রবিন খেলছেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের ইনিংসের হাল ধরেন ওপেনার খালিদ হাসান। তবে ভালো শুরু করেও ৭৪ রানের বেশি এগোতে পারেননি তিনি। চতুর্থ উইকেটে আলআমিন ও মোসাদ্দেক মিলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। আলআমিন ৫৪ ও মোসাদ্দেক ৪৭ রান করে আউট হন। দিন শেষে ময়মনসিংহের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান।