রপ্তানি-রেমিট্যান্সের বিকল্প নেই

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:৪১ এএম

এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে রিজার্ভ ধরে রাখতে হলে ডলার আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। আর বাংলাদেশের ডলার আয়ের প্রধান দুটি খাত হচ্ছে, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়। এ দুই খাত থেকে পর্যাপ্ত ডলার না আসায় মূলত বাংলাদেশ চাপের মুখে পড়েছে।

এ ছাড়া বিদেশি ঋণ ও এফডিআইয়ের মাধ্যমে ডলার আসে, যা সাময়িক। রিজার্ভ ধরে রাখতে হলে বিদেশ থেকে ধার করে এখন সামাল দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে দরকার স্থায়ী সমাধান। এজন্য বাংলাদেশকে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আর এ ক্ষেত্রে একমাত্র বাধা বেঁধে দেওয়া মুদ্রাবিনিময় হার।

বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবিনিময় হার বেঁধে দেওয়ায় ব্যাংকগুলো বেশি দরে ডলার কেনার সাহস পাচ্ছে না। এতে মানুষ বেশি অর্থের লোভে অবৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। এই মুহূর্তে মুদ্রাবিনিময় হার বাজারভিত্তিক না করলে সংকট আরও বাড়বে। আর সংকট ঘনীভূত হওয়ার পর মুদ্রাবিনিময় হার বাজারভিত্তিক করেও লাভ হবে না। বাজারভিত্তিক হলে ব্যাংকগুলো বেশি দরে ডলার কিনবে। এতে মানুষ ব্যাংকেই পর্যাপ্ত ডলার পাবে। তাদের খোলাবাজারে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে ধীরে ধীরে ডলারের দর কমে আসবে।

লেখক : ড. জাহিদ হোসেন, সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিস

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত