করোনা: মারা গেলেন ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক আবদুল মতীন|304681|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২১ ১৫:৫০
করোনা: মারা গেলেন ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক আবদুল মতীন
অনলাইন ডেস্ক

করোনা: মারা গেলেন ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক আবদুল মতীন

ড. আবদুল মতীন (২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ১৬ জুলাই ২০২১)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আবদুল মতীন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার সকাল ৬টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

আবদুল মতীন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। তাকে গ্রামের বাড়ি ভালুকার ধিতপুরে সমাধিস্থ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ অধ্যাপকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ড. আবদুল মতীন ১৯৩৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে বিএ অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬০ সালের ১ জুলাই তিনি ঢাবির দর্শন বিভাগে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০০০ সালে অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৮ সালে কানাডার ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং ১৯৬৯ সালে টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘করেসপন্ডেন্স থিওরি অব ট্রুথ’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. আবদুল মতীন কমনওয়েলথ ফেলো হিসেবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন। তিনি এন আউটলাইন অব ফিলোসফি, যুক্তির আলোকে, প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা, দর্শন সাহিত্য ও সংস্কৃতিসহ বেশ কিছু মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ এবং অনুবাদ গ্রন্থ রচনা করেন। ‘দুই পৃথিবী’ নামে তার একটি কবিতার বইও আছে।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত জার্নালে তার বহু গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ফিলোসফি অ্যান্ড প্রোগ্রেসসহ বেশ কিছু জার্নাল সম্পাদনা করেন এবং উচ্চতর মানববিদ্যা ও গোবিন্দ দেব গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক এবং দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

মৃত্যুকালে অধ্যাপক ড. আবদুল মতীন স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী হাসিনা মতীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক।

আবদুল মতীনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। এক শোকবাণীতে তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের শোক-সন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।