কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট গ্রুপের আরেকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশের তৃতীয় এই ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাবটি গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। টার্মিনালটি হবে দৈনিক ৬০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন ঘনফুট) ক্ষমতাসম্পন্ন।
জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি করছে সরকার। এজন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট সক্ষমতার টার্মিনাল দুটি নির্মাণ করেছে আমেরিকার এক্সিলারেট এনার্জি এবং সামিট গ্রুপ।
গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো সামিটের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এলএনজি সংরক্ষণে অবকাঠামো তৈরি করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যা অবশ্যই মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে এলএনজি সংরক্ষণ করতে পারবে এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে পুনরায় গ্যাসিকরণের ক্ষমতা থাকবে। অফশোর ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) হলো সবচেয়ে সক্ষম, সুলভমূল্যে এবং দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সংরক্ষণ অবকাঠামো সমাধান।
