কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ভাঙ্গাপুল গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দেওয়ায় কনের মা শিরিনা খাতুন (২৯) এবং বিয়ের সাক্ষী আবদুল আলীমকে (৪০) গত শুক্রবার ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সোহেল মারুফ।
এর আগে মেয়েটির বাল্যবিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতির সংবাদ পেয়ে ছেলেপক্ষ এবং মেয়েপক্ষকে ডেকে সতর্ক করে দেন ইউএনও। কিন্তু সতর্কতা উপেক্ষা করে তারা গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মেয়েটির বিয়ে সম্পন্ন করেন। খবর পেয়ে ওই দিন সন্ধ্যায় মেয়েটির মা শিরিনা খাতুন ও বিয়ের সাক্ষী আবদুল আলীমকে আটক করা হয়।
ইউএনও মারুফ জানান, এই বাল্যবিয়েতে কনের মা শিরানা আক্তার জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করায় এবং আবদুল আলীম বিয়ের সাক্ষী হওয়ায় ২০১৭ সালের বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে ছেলেপক্ষের লোকজন গা-ঢাকা দেওয়ায় তাদের পাওয়া যায়নি।