মুক্তিযোদ্ধা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী জেয়াদ আল মালুমের জন্ম ১৯৫২ সালের মার্চ মাসে টাঙ্গাইলের করটিয়ার এক সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারে। তার বাবা শিক্ষাবিদ জেয়াদ আলী আহমেদ ও মা সালেমা খাতুন। দশ ভাইবোনের মধ্যে সপ্তম জেয়াদ করটিয়া থেকে ১৯৬৮ সালে ম্যাট্রিক এবং ১৯৭০ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। একাত্তরের রণাঙ্গনের এই যোদ্ধা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে সম্মানসহ এলএলবি ও এলএলএম পাস করে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় নিয়োজিত হন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এর প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গোলাম আযম, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মীর কাশেম আলী ও কামারুজ্জামানের মামলাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলার প্রসিকিউশন দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং নানা দিক নিয়ে জেয়াদ আল মালুম দেশ রূপান্তরকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আহমেদ মুনীরুদ্দিন।
দেশ রূপান্তর : এবার স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নয় বছর পার হলো। এই সময়ে ট্রাইব্যুনালের অর্জন কতটা বলে মনে করেন?
জেয়াদ আল মালুম : ট্রাইব্যুনালের অর্জন নিয়ে যদি কথা বলতে হয় তাহলে এক কথায় বলব, এই ট্রাইব্যুনাল সর্বাঙ্গীণভাবে সফল। এরই মধ্যে বিচার শেষে একাত্তরের শীর্ষ ছয় জন মানবতাবিরোধী অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। হত্যা-ধর্ষণ-লুটতরাজ-অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে ৮০ জনকে সাজা দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালে গৃহীত অভিযোগ ও অন্য মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশ রূপান্তর : দণ্ডপ্রাপ্ত এই ৮০ জনের ৩৭ জনই তো পলাতক রয়েছেন। পলাতকদের আটক করে সাজা দেওয়ার বিষয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি কী? আর বাকি ৪৩ জনের সবাই কি সাজাভোগ করছেন?
জেয়াদ আল মালুম : প্রথমত, যারা পলাতক তাদের মধ্যে কয়েকজনেরই তাদের ‘অনুপস্থিতিতে’ বিচার হয়েছে। অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে আইনানুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষ থেকে পলাতক আসামির পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। এভাবে পলাতক থাকা অবস্থাতেই তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মৃত্যুদণ্ডও হয়েছে। যারা বিদেশে পলাতক রয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় মিলিয়ে এই নিয়ে টাস্কফোর্সও রয়েছে এবং তারা এ বিষয়ে কাজ করছে। দায়িত্বটা হলো তাদের ফিরিয়ে আনা, গ্রেপ্তার করা এবং বিচারের মুখোমুখি করা, এটা সরকারের দায়িত্ব, এটা ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব নয়। আর যারা পলাতক নন এমন দণ্ডপ্রাপ্তরা কারা অভ্যন্তরে রয়েছেন, কারও কারও ক্ষেত্রে আপিলের বিষয় আছে। আর যারা পলাতক তাদের তো আপিলের সুযোগ নেই। যারা আপিল করেছেন তাদের আপিল যদি নিষ্পত্তি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে যে সাজা বা দণ্ড হবে সেটা কার্যকর করার দায়িত্বও সরকারের।
দেশ রূপান্তর : ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৫৬টি অভিযোগ ও মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে ৬৫৮টি অভিযোগের কিছু কিছু বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান হলেও তদন্তকাজ এখনো শুরু হয়নি। এটাকে কি ট্রাইব্যুনালের দুর্বলতা বলে মনে করেন?
জেয়াদ আল মালুম : তদন্তের বিষয়টি একটা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগোয়। তদন্ত হয়ে প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসে, সেখান থেকে প্রসিকিউশন আইনুনাযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠনের জন্য ট্রাইব্যুনালে যায়। এখন ট্রাইব্যুনালে এ ধরনের প্রায় ৩৩টি মামলা চলমান। এখন একটি মাত্র ট্রাইব্যুনালই এখন সক্রিয়। ফলে মামলা পরিচালনায় শ্লথগতির বিষয়টি থেকে যাচ্ছে।
দেশ রূপান্তর : ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে দুটি ট্রাইব্যুনালকে একীভূত করা হলো। এখন আবার বিচারিক প্রক্রিয়ায় গতি আনতে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবির কথা শুনছি আমরা- বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করবেন?
জেয়াদ আল মালুম : এই মামলাগুলোর যে প্রক্রিয়া তাতে একটি ট্রাইব্যুনাল কোনো অবস্থাতেই সারা বছরে পাঁচ থেকে ছয়টি মামলার বেশি নিষ্পত্তি করতে পারে না। ফলে ওয়াকিবহাল মহল, ভুক্তভোগী শহীদ পরিবার, বিচারপ্রার্থী মানুষসহ সচেতন নাগরিকদের কাছ থেকে এই দাবি উচ্চারিত হচ্ছে যে, অনতিবিলম্বে আরও একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিচার নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত। একটা বিষয় খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার, আমরা যে অপরাধের বিচার করছি সেই ঘটনাগুলো ঘটেছে আজ থেকে ৪৮ বছর আগে। এরই মধ্যে অনেক সাক্ষী এমনকি বিচারাধীন অবস্থাতেও আসামির মৃত্যু ঘটেছে। সেই দিন আর খুব বেশি দূরে নয় যখন হয়তো আর কোনো আসামি বা সাক্ষীকে জীবিত পাওয়া যাবে না। যেমনিভাবে সেদিনও আর খুব বেশি দূরে নেই যেদিন আর কোনো মুক্তিযোদ্ধাকেও আগামী প্রজন্ম আর জীবিত অবস্থায় কাছে পাবে না।
দেশ রূপান্তর : ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় তদন্ত কর্মকর্তার সংখ্যা মাত্র ২০ জন, যার মধ্যে ৪ জন তদন্ত তদারকির দায়িত্বে এবং বাকি ১৬ জন মাঠ পর্যায়ে তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন। একে কি ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণ বলে মনে করেন?
জেয়াদ আল মালুম : এটা নির্ভর করছে আরও একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের ওপর। যখন আরও একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে তখন তদন্ত কর্মকর্তার সংখ্যাও বাড়াতে হবে এবং প্রসিকিউশনের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। দীর্ঘসূত্রতার কারণ এটা না, মূল কারণটা আরও ট্রাইব্যুনাল না হওয়া।
দেশ রূপান্তর : বিচারাধীন মামলার অনেকগুলোই স্থবির হয়ে রয়েছে। ২৯ জন আসামির আপিল শুনানির অপেক্ষায় থাকলেও তিন বছর ধরে শুনানি হচ্ছে না। এ জন্য আপিল বিভাগে ‘বিশেষ বেঞ্চ’ গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। মূল সমস্যাটা কোথায় বলে মনে করেন আপনি?
জেয়াদ আল মালুম : আপিলের বিষয়টা ভুক্তভোগী শহীদ পরিবারগুলোর দিক থেকেও একটা বড় প্রশ্ন। দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানি হচ্ছে না। বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা যেতে পারে, এভাবেও দ্রুত আপিল নিষ্পত্তি হতে পারে।
দেশ রূপান্তর : সমাজ ও রাষ্ট্রের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের কথা বিভিন্ন সময়ে সামনে আসছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের কোনো অগ্রগতি হচ্ছে কি?
জেয়াদ আল মালুম : ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ এই ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা, তার নিষ্ঠা এবং তার সাহস তদন্ত কর্মকর্তা, আমাদের এবং সাক্ষীদের যেভাবে উজ্জীবিত করেছে তার ফলে আমরা এতগুলো মামলার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে এগিয়ে গেছি। আমরা এটা দেশবাসীকে জানাতে চাই, যতগুলো মামলা ট্রাইব্যুনালে দাখিল হয়েছে তার একটি মামলাও সাক্ষীর অভাবে খালাসপ্রাপ্ত হয়েছে এমন একটি ঘটনাও নাই। ফলে বাংলাদেশে শতবর্ষের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে এবং এই উপমহাদেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে এটা একটা বিরল দৃষ্টান্ত এবং এ বিষয়ে আমাদের সফলতা শতভাগ। ফলে অভিযোগ রয়েছে এমন ব্যক্তি যে-ই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, এখানে কারোরই পার পেয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
দেশ রূপান্তর : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের একটি কেন্দ্রীয় বিষয় রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ’-এর বিচার। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ জামায়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিগত পাঁচ বছরেও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি কেন?
জেয়াদ আল মালুম : কোনো সংগঠনকে শাস্তি দিতে হলে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনটি একটু সংশোধন করে এটি নতুনভাবে সন্নিবেশিত হওয়া প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে মাননীয় আইনমন্ত্রীও বলেছেন, অতি দ্রুতই আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব সম্পন্ন করে এটি জাতীয় সংসদে যাবে এবং সংসদে গেলে এটি পাস হবে। এই আইনটি পাস হয়ে গেলে আমাদের প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অনেক বেশি সময় লাগার কোনো কারণ নেই, আমরা দ্রুতই রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।
দেশ রূপান্তর : ২০২১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছে। এর আগে ‘যুদ্ধাপরাধের’ বিচার প্রক্রিয়া কি শেষ হবে?
জেয়াদ আল মালুম : আগামী ২০২১ সালে আমরা যেমন মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করব তার আগেই ২০২০ সালে আমরা জাতির জনকের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করব। ওই একই বছরে এই ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও ১০ বছর পূর্ণ হবে। এখন কথা হলো এই একটি ট্রাইব্যুনাল থাকলে কিন্তু কোনো অবস্থাতেই এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে ছয়-সাতটি মামলার বেশি নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব না। এই ট্রাইব্যুনাল কিন্তু দুই বেলা কাজ করে থাকে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ট্রাইব্যুনাল কিন্তু কোনো গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন ছুটিও কাটায় না। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানাভাবে ট্রাইব্যুনালকে হেয় প্রতিপন্ন করা, প্রশ্নের মুখে ফেলার নানা পাঁয়তারা করা হয়েছে। কিন্তু হরতাল, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর জ্বালাও-পোড়াওয়ের মধ্যেই এই ট্রাইব্যুনাল নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছে।
দেশ রূপান্তর : আমরা দেখেছি ২০১৩ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের একটি রায় নিয়ে সারা দেশের মানুষ গর্জে উঠেছিল এবং শাহবাগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে একটা গণজোয়ারের সূচনা হয়েছিল। তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনসাধারণ যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। যার প্রতিক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে গেছে।
জেয়াদ আল মালুম : আমি আপনার সঙ্গে একমত যে, অবশ্যই দেশবাসীর পূর্ণ সমর্থন নিয়েই এই ট্রাইব্যুনাল কাজ করে যাচ্ছে। আরেকটি কথা হলো, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কখনো তামাদি হয় না, তেমনি এটা কখনো সময় বেঁধে দিয়েও হয় না। কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি হওয়ার সঙ্গে এই জাতির তিরিশ লক্ষ মানুষের আত্মাহুতির, চার লক্ষ মা-বোন নির্যাতিত হওয়ার, দুই লক্ষ মা-বোনের ধর্ষিত হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না একাত্তরে আমাদের মন্দির-মসজিদ-গির্জা-প্যাগোডা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিছুই রক্ষা পায়নি। এক কোটির বেশি মানুষের দেশান্তরী হয়েছে, মানবেতর জীবনযাপন করেছে, কোটি কোটি মানুষ স্থানান্তরিত হয়ে অসহনীয় ত্যাগ-তিতিক্ষার শিকার হয়েছে। ভুক্তভোগী সব শহীদ পরিবারসহ প্রতিটি নাগরিকেরই কিন্তু বিচার চাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রেরও সেই বিচার করার দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে।
