পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৯, ০১:৩০ পিএম

মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ২৭তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন এবং বিভিন্ন ইউনিটে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি সুনামগঞ্জ, পাবনা ও টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার এবং রেলওয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম ও সৈয়দপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন। বগুড়ায় প্রথম এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার, অতিরিক্ত ডিআইজি ও নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং কেন্দ্রের কমান্ড্যান্টের দায়িত্বও পালন করেছেন। এ ছাড়া হাইওয়ে, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেন। দেশ-বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনেও তিনি বাংলাদেশ পুলিশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

আগামী ১৩ আগস্ট তিনি চাকরি থেকে অবসর নিতে যাচ্ছেন। অবসরের প্রাক্কালে দেশ রূপান্তরের মুখোমুখি হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ পুলিশ প্রশাসনের নানা উদ্যোগ এবং কর্মকার বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সরোয়ার আলম

দেশ রূপান্তর : চাকরির শেষ মুহূর্তে চলে এসেছেন। দীর্ঘ চাকরি জীবন শেষে আপনার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা জানতে চাই।
আছাদুজ্জামান মিয়া : প্রত্যেক মানুষের জীবনেই সফলতা থাকে, ব্যর্থতা থাকে। দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর চাকরি করেছি। চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। চেষ্টা করেছি চ্যালেঞ্জগুলোকে পেশাদারিত্ব ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখে ওভারকাম করতে। শেষ পর্যন্ত বলব, সফলতাও যেমন আছে, বিফলতাও আছে। প্রাপ্তি এবং প্রত্যাশার পার্থক্য আছে। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময় আইনশৃঙ্খলা যথেষ্টই নিয়ন্ত্রণে ছিল। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। হলি আর্টিজানের মতো মর্মান্তিক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তৎপরবর্তীতে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছি। আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। যেভাবে উগ্রবাদকে দমন করেছি, তা সারা বিশে^ই ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। আমাদের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নেতৃত্বে ডিএমপির সব সদস্য ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা- সবাই মিলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। জনগণের মধ্যে একটা নিরাপত্তাবোধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।

এখন মহানগরীর অপরাধপ্রবণতা যেমন নিম্নগামী, তেমনি জনগণের মধ্যে অপরাধভীতি, পুলিশভীতি অনেকটাই কমে এসেছে। এই সাফল্যের পেছনে যদি আপনি বলেন তাহলে বলব, বিগত বছরগুলোতে সমাজের বিভিন্ন স্টেইক হোল্ডার যারা রয়েছে, কমিউনিটি রয়েছে, সেই কমিউনিটিকে এর সঙ্গে ইনভল্ব করতে পেরেছি। রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, ট্রান্সপোর্ট মালিক, শ্রমিক, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন অরাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগানো হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি থানা আছে। প্রত্যেকটি থানাকে পাঁচ থেকে আটটি বিটে ভাগ করে ‘স্পেনার সুপারভিশনকে’ কমিয়ে এনেছি। ঢাকা মহানগরীতে ৩০২টি বিট তৈরি করেছি। প্রতি বিটে থানার পাঁচ-ছয়জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, উগ্রবাদ, মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর কয়েক হাজার উঠান বৈঠক করেছি। ছোট ছোট সমাবেশ করেছি। এসবের মধ্য দিয়ে সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জনগণকে সক্রিয় করেছি। আপনি জানেন, ঢাকা মহানগরীতে বিগত চার বছরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে আমরা ডেটাবেইস তৈরি করেছি। আমরা এর নাম দিয়েছি ‘সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’। এতে ৭০ লাখ নাগরিকের তথ্য সন্নিবেশিত করেছি। প্রত্যেকটি নাগরিকের নামে একটি ইউনিক নম্বর পড়েছে। কেউ যদি মিরপুর থেকে উত্তরায় চলে যান, তাহলে ওই নম্বরে ক্লিক করলে তার পরিচয় বের হয়ে আসবে। এতে প্রতিটি লোকের তথ্য-উপাত্ত পাচ্ছি, তার বয়স পাচ্ছি, পেশা, পরিবারের সদস্যসহ সবকিছু পেয়ে যাচ্ছি। মুহূর্তের মধ্যে আমরা বাটন টিপে ওই নাগরিকের তথ্য জানতে পারব। যে কারণে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা পরিচয় গোপন করে বাসাভাড়া নিতে পারছে না। এর সুবিধা হলো, তারা যদি নিরাপত্তা বা আইনি সহায়তা চান, তা দেওয়া সহজ হবে।

দেশ রূপান্তর : ঢাকা মহানগর জুড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কোনো সুফল পাওয়া গেছে?
আছাদুজ্জামান মিয়া : ডিএমপির ৩৪ হাজার সদস্য রয়েছে। যার মধ্যে বিসিএস ক্যাডার অফিসার আছে ৩৭২ জন। কোথাও কোনো ক্রাইসিস হলে আমাদের ডিবি, সিটি, ক্রাইম, ট্রাফিক পুলিশসহ সবাইকে সমন্বয় করে টিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। এই টিম স্পিরিটের মধ্য দিয়েও অপরাধীদের শনাক্ত করা, গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য সোপর্দ করার কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। প্রত্যেকটি কালচারাল, স্পোর্টস, পলিটিক্যাল ইভেন্টসহ সব বিষয় দ্রুততার সঙ্গে সামলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। জনগণের সম্পৃক্ততা আর ডিএমপির মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে। আমরা টেকনোলজির ব্যবহার করেছি। সাড়ে চার বছরের মধ্যে আমরা ঢাকা শহরে হাজার হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি। এগুলো বিভিন্ন স্টেইক হোল্ডাররা লাগিয়েছেন। দেশি-বিদেশি অফিস, বিপণিবিতান, ফ্ল্যাটের মালিকরা সিসি ক্যামেরাগুলো লাগিয়েছেন। কিন্তু এর পেছনে উদ্বুদ্ধ করার বা উদ্যোগ নেওয়ার যে কাজ, সেগুলো আমরা করেছি। গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনে কয়েক হাজার সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে এবং এগুলো মনিটর করা হচ্ছে গুলশান ফাঁড়ি থেকে।

দেশ রূপান্তর : পুলিশে চাকরি নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি আসলেই পূরণ হয়েছে?
আছাদুজ্জামান মিয়া : নিশ্চয়! পুলিশে এসে আমার স্বপ্নপূরণ হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামে আমার বাড়ি। সাধারণ পরিবারের সন্তান। গ্রাম থেকে লেখাপড়া করে বিশ^বিদ্যালয়ে এসেছি। সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে পুলিশে চাকরি নিয়েছি। স্বপ্ন ছিল একটি জনবান্ধব পুলিশ দেখব। স্বপ্ন ছিল জনগণের পুলিশ দেখব। স্বপ্ন ছিল, পুলিশের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ থাকবে, মানুষ পুলিশকে ভালোবাসবে। চাকরিতে যখন যোগদান করেছি, তখন পুলিশের মধ্যে অব্যবস্থাপনা দেখেছি। আপনি রিক্রুটমেন্টের কথাই ধরুন। আগে টাকা ছাড়া পুলিশে ভর্তি হওয়া যেত না। আমরাই কিন্তু প্রমাণ করেছি সততা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে রিক্রুটমেন্ট করা সম্ভব। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, পদায়ন এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে একশ ভাগ স্বচ্ছতা ছিল। আমি বলব, কিছু অপূর্ণতা তো থেকেই যায়। তবুও পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে যে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার পেয়েছি, সে জন্য লাখ লাখ শুকরিয়া মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে।

দেশ রূপান্তর : বিদায়ের সময় সহকর্মীদের জন্য আপনার উপদেশ কী?
আছাদুজ্জামান মিয়া : পুলিশের বিষয়ে আমার উপদেশ থাকবে, পুলিশকে প্রথমেই বুঝতে হবে আমি কে? আমি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। বেতনভুক্ত কর্মচারী। জনগণ হচ্ছে আমার মুনিব। সুতরাং আমার কাজ জনগণের সেবা করা, আইনি সুবিধাটা সহজভাবে দেওয়া। একটা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে জনগণের সঙ্গে আচরণ করা, দুষ্টের দমন করা, শিষ্টের লালন করা। কথায় নয়, কার্যকরভাবে কাজ করাই হচ্ছে পুলিশের ধর্ম। কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন উন্নত বাংলাদেশের। এসব উন্নয়ন পেতে হলে ব্যক্তির, সমাজের, ব্যবসার, বিনিয়োগের, দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের, ইনভেস্টরদের নিরাপত্তা দরকার। নিরাপত্তা না দিলে কেউ বিনিয়োগ বা ব্যবসা করবে না। অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে না। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে না। পুলিশের কোনো কর্মঘণ্টা নেই। রাষ্ট্রের কাছে আমার আবেদন থাকবে, পুলিশের বেতন কাঠামো যৌক্তিক করা হোক। বাড়তি পরিশ্রমের জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়া হোক। যাতে দুর্নীতি ছাড়াই পুলিশ সদস্যরা তার পরিবার-পরিজন নিয়ে ভদ্রভাবে দুবেলা-দুমোঠো ভাত খেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা হোক।

দেশ রূপান্তর : সারা দেশের মতো ঢাকারও একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মাদক। মাদক বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
আছাদুজ্জামান মিয়া : মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ব্যাপক অভিযান চলছে। এলাকাভিত্তিক মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিকভাবে মাদকের ভয়াবহতা প্রতিহত করার প্রয়াস বিদ্যমান। সব ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

দেশ রূপান্তর : মাদক কারবারিদের সঙ্গে পুলিশের জড়িত থাকার বিস্তর অভিযোগ আছে। বিষয়টি কীভাবে দেখেন? বরাবরই গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে কেন?
আছাদুজ্জামান মিয়া : পুলিশের কোনো সদস্য এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স পলিসি কার্যকর। মাদক চোরাচালান শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, বরং এটা দুনিয়াজোড়া সমস্যা। তাই আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত মাদকের গডফাদাররা উপযুক্ত প্রমাণ ও সাক্ষীর অভাবে অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।

দেশ রূপান্তর : থানা হচ্ছে পুলিশের আয়না। আপনি কি মনে করেন ডিএমপির থানাগুলো জনবান্ধব?
আছাদুজ্জামান মিয়া : থানায় গিয়ে মানুষ অহরহ হয়রানি হয় বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। এ জন্য আমরা ছাপানো অটোকার্বন জিডি ফরম দিয়েছি। থানায় রক্ষিত জিডি ফরম নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করে ওসি বা ডিউটি অফিসারের কাছে জমা দিতে পারেন। পেন্ডিং মামলা বা মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া, শ্যোন অ্যারেস্ট করা এখন নাই বললেই চলে। থানার পেট্রলগুলো যাতে আরও বৃদ্ধি পায় এটা আমরা দেখছি। দ-বিধি ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ডিএমপি অর্ডিন্যান্সে গ্রেপ্তার করার ঘটনা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। থানাগুলো ডিজিটাল করা হচ্ছে। সব থানায় স্থাপিত হচ্ছে নারী ও শিশুবান্ধব হেল্প ডেস্ক।

দেশ রূপান্তর : পুলিশের সিভিল টিম নিয়ে বিস্তর অভিযোগ। কর্র্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অনেকে অভিযানে যাচ্ছে। পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এলেও পরে বলছে তারা ধরেনি। এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন?
আছাদুজ্জামান মিয়া : পুলিশি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বর্তমানে কর্র্তৃপক্ষের পূর্বনির্দেশ ব্যতিরেকে সব ধরনের সিভিল টিমের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে শুধু সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিভাগের ডিসির সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন ইউনিট বা থানা অথবা ফাঁড়ি থেকে ইভেন্টভিত্তিক বা টার্গেটভিত্তিক অর্থাৎ কোনো সুনির্দিষ্ট আসামি গ্রেপ্তার অথবা বিস্ফোরক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার-সংক্রান্ত ঘটনায় স্বল্প সময়ের জন্য সিভিল টিম পরিচালনা করা হয়। সিভিল টিম যাতে কোনো অনিয়ম বা আইনবহির্ভূত কাজে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসি, এডিসি ও এসিরা তার নিশ্চয়তা বিধান করেন। এ আদেশের কোনো ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

দেশ রূপান্তর : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আছাদুজ্জামান মিয়া : দেশ রূপান্তর এবং পাঠকদেরও ধন্যবাদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত