চল্লিশে জুনিয়র এনটিআর

আপডেট : ২০ মে ২০২৩, ০৮:৪৩ পিএম

তেলুগু সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির তারকা অভিনেতা জুনিয়র এনটিআর। আজ শনিবার (২০ মে) তিনি পূর্ণ করলেন ৪০ বছর। ১৯৮৩ সালের ২০ মে ভারতের হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

জুনিয়র এনটিআর দক্ষিণ ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী পরিবারের বংশধর। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের নন্দমুরী পরিবারের ছেলে। তেলুগু অভিনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এনটি রামা রাওয়ের নাতি তিনি। বাবা নন্দমুরি হরিকৃষ্ণও ছিলেন অভিনেতা, রাজনীতিবিদ।

জুনিয়র এনটিআরের প্রথম নাম তারক। মাত্র আট বছর বয়সে শিশু অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। প্রথম ছবি ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ব্রহ্মাশ্রী বিশ্বামিত্র’। এনটি রামা রাও ছবির পরিচালক ছিলেন। এই ছবির পরই তাকে দর্শক জুনিয়র এনটিআর বলে সম্বোধন করতে শুরু করেন।

জুনিয়র এনটিআর একজন প্রশিক্ষিত কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পীও। সিনেমাতেও তার নাচ প্রশংসিত হয়। এস এস রাজামৌলির সঙ্গে ‘আর আর আর’-এর আগেও ছবি করেছেন তিনি। পরিচালকের প্রথম দুই ছবি ‘স্টুডেন্ট নং ১’ (২০০১) ও ‘সিমহাদ্রি’তে (২০০৩) নায়ক হিসেবে জুনিয়র এনটিআরকে কাস্ট করেছিলেন।

২০০৪ সালে তার ছবি ‘অন্ধ্রওয়ালা’র প্রথম সবচেয়ে বড় অডিও লঞ্চ হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১০ লাখ দর্শক। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এই অনুষ্ঠানের জন্য ভারতীয় রেলওয়ের পক্ষ থেকে দশটি বিশেষ ট্রেন চালানো হয়। এই রেকর্ড এখনও কেউ ভাঙতে পারেনি।

জুনিয়র এনটিআর একমাত্র তেলুগু অভিনেতা যার জাপানের ফ্যান ফলোয়িং আছে। ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘বাদশাহ্’ জাপানের চলচ্চিত্র উৎসবে মনোনীত হয় সেই দেশের ভাষায় ডাবিং হওয়ার পর। এরপর থেকে সেখানে তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ফোর্বস ইন্ডিয়াস সেলিব্রিটির তালিকায়ও দুইবার নাম ওঠে তার। প্রথম ২০১২ সালে, পরবর্তীকালে ২০১৬ সালে।

‘আর আর আর’ ছাড়াও অভিনেতার ‘নান্নাকু প্রেমাথো’ ও ‘জনতা গ্যারাজ’ অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি ছবি। বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য লাভ করে এগুলো।

জুনিয়র এনটিআরের প্রিয় সংখ্যা ৯। তার প্রত্যেক অটোমোবাইলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৯৯৯৯। বিএমডব্লিউ ৭ সিরিজের গাড়ির নম্বর প্লেটের জন্য সাড়ে ১০ লাখ টাকা খরচ করেছিলেন, যা এ যাবৎ সর্বোচ্চ। অনেকেই জানেন না, নিজের একাধিক তেলুগু ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন অভিনেতা। কন্নড় ছবি ‘চক্রব্যূহ’র ‘গেলেয়া গেলেয়া’ গানেও কণ্ঠ দেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত