কোরবানির ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও খামারিরা ইতিমধ্যে রাজধানীর অস্থায়ী হাটে কোরবানির পশু আনতে শুরু করেছেন। তবে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তেমন একটা দেখা যায়নি। এ কারণে এখনো কোরবানির হাট জমে ওঠেনি।
এবছর পবিত্র ঈদুল আজহায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ১৯টি স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৯টি স্থানে পশুর হাট বসবে।
রাজধানীর গাবতলী হাট ঘুরে দেখা গেছে, এখনো পুরোদমে পশু আসা শুরু হয়নি। ক্রেতা উপস্থিতিও কম। যেসব পাইকার ও খামারিরাও এসেছেন তারা অলস সময় পার করছেন। কেউবা ব্যস্ত ছিলেন গবাদি পশুর যত্নআত্তি নিয়ে।
রাজধানীর হাজারীবাগের পশুর হাটে গিয়েও একই চিত্র দেখা যায়।
কুড়িগ্রামের পাইকার আবুল হোসেন। তিনি ১০টি গরু নিয়ে বুধবার হাজারীবাগের হাটে এসেছেন। এখনো একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি। তার আনা একেকটি গরুর ওজন ৩ থেকে ৬ মণ ওজনের।
রাজধানীর মেরাদিয়া গরুর হাটে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়ে আসা গরু খামারিরা ট্রাক থেকে নামিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে রাখছেন। অনেকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন আকারের গরু। কেউ দাম জানতে চাচ্ছেন। হাট ঘুরে দেখা গেছে, এক লাখের নিচে গরু নেই।
এই হাটে খুলনা থেকে ১০টি গরু এনেছেন আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, গরু লালনপালনে খরচ বেড়েছে। তাই গতবছরের চেয়ে দাম বেশি হবে এবার।
বিভিন্ন হাটের পশু ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে তারা পশু বিক্রির জন্য হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছেন। তবে ঈদ এগিয়ে এলে সড়কে যানজট ও ঝামেলা এড়াতে অনেকে কয়েক দিন আগেই চলে এসেছেন বলেও জানান তার।
এদিকে হাটগুলোর ইজারাদারের কর্মীরা জানান, কয়েক দিন ধরেই হাটগুলোতে গরু আসতে শুরু করেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে হাটে পশু আরও বাড়বে। সেই সঙ্গে বিক্রিও জমে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।
পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে ডিজিটাল বুথ, জাল টাকা শনাক্তের মেশিনসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
