হোমপেজে ভেসে যাওয়া কবি, তিষ্ঠ ক্ষণকাল...

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৩, ০৯:৫৩ পিএম

চারদিকে কেবল বাজে কবিতার ছড়াছড়ি। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এগুলো ভালোও বাসে, জনপ্রিয় হয়। এটা যে নতুন তা নয়। আবার ভালো কবিতা কী সেই প্রশ্নে শিল্পের আপেক্ষিকতা এবং ব্যক্তিগত পছন্দের দায়মুক্তি আছে। যেহেতু ঘোষণা তো দেওয়া আছেই ‘ভালো কবিতার সমঝদার আপনেরে আমার কি দরকার’ (আকাশে কালিদাসের লগে মেগ দেখতেছি/ব্রাত্য রাইসু)। তবু কথা থাকে। জনপ্রিয়তা, জনতুষ্টিকে বোঝাপড়া করেই শিল্প দাঁড়ায়। কেবল জনতুষ্টি আর জনপ্রিয়তায় দাঁড়ানো বিষয় নুয়ে পড়তেও সময় নেয় না, লংজিবিলিটি কালোত্তীর্ণতার কথা বাদ দিলেও। দেয়াল লিখন তো বদলে যায়, তা সে যতই প্রাসঙ্গিক, ভয়ানক আর দগদগে হোক।  

ইদানীংকালে শিল্প-সাহিত্য চর্চার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইন্টারনেট, আরও স্পষ্ট করে বললে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আমরা জানি কবিতা এমন এক আর্ট ফর্ম যার অন্যতম ভিত্তি হলো চিন্তা বা অনুভূতির বৈচিত্র্য, যার বহু রকম মানে করা যায়। অতীতে মানুষ কবিতাকে গোপন, গভীর, নিগূঢ় অর্থবহ মনে করত। যার প্রকৃত মর্ম পাঠকের মনকে গভীরভাবে স্পর্শ করে প্রথম পাঠে কিছুতেই যা পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা পালটে গেছে। এখন আমরা যেসব কবিতা দেখি, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, সেগুলো কেমন যেন সাদামাটা। বলতে গেলে খুবই সহজ-সরল। নিগূঢ় অর্থকে বিদায়, আবার পড়ে সেটা নিয়ে ভাবাকেও বিদায় জানাতে হচ্ছে। হ্যালো, ফালতু জ্যাবজেবে অনুভূতির কবিতা, যেন টিকটক জেনারেশনের সেইসব ভিডিও, যার মূল বক্তব্য হলো বাঁচো, হাসো, ভালোবাসো। আবার ক্ষেত্রবিশেষে তীব্র বাস্তবতায় দেয়াল লিখনের মতো কিছু কবিতা প্রাসঙ্গিকতার নিরিখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠলেও তা সেই পুরনো আলাপ কবিতা আর স্লোগান তর্ক না তুলেই তার শিল্প হয়ে ওঠার উদ্দেশ্যকে প্রশ্ন করা যায়। আর রয়েছে পূর্বতনকে অথবা ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে যাওয়া কন্টেন্টকে অনুকরণ, অনুসরণ, ক্ষেত্রবিশেষে চুরি বাছবিচারহীনভাবে। এ ধরনের লেখাকে ‘কোট আন কোট’ বাদ দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা দেখি তার প্রায় সবই বাজে কবিতা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কবিতাকে যেভাবে প্রকাশ করছে তার নমুনা কমবেশি এমন দিন কেমন গেল, সেই ভিডিওতে, জঘন্য সব ইতিবাচক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে, ঘর সাজানোর ইটসি প্রিন্টের ফ্রেমে, উদ্ভট বুকমার্কে এমনকি বিজ্ঞাপনেও। এটাকে রুপি কাউর ইফেক্টও বলা যেতে পারে। ২০১৪ সালে তিরিশ বছর বয়সী এই ভারতীয় কানাডিয়ানের কবিতা মনোযোগ আকর্ষণ করতে শুরু করে, যখন তিনি নিজের প্রকাশিত কবিতার বই মিল্ক অ্যান্ড হানি নিয়ে বিস্ফোরিত হন। ২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার হয় বইটি।

অনেকেই কাউরের কবিতার সমালোচনা করলেও, ২০১০ সালের দিকে ইনস্টাগ্রাম বা স্ন্যাপচ্যাটের স্টোরিতে তার কবিতা না দেখে আপনি টাইমলাইন পার হতে পারতেন না। খুব মৌলিক বাক্যকে শৈল্পিকভাবে সাজানো এই কবিতাগুলো যে কোনো গড়পড়তা মানের ইংরেজি পাঠকের কাছে সহজেই বোধগম্য। স্বাস্থ্যসম্মত স্মুদি নিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্টই হোক বা গিনেথ প্যালেট্রোনেস প্রভাবিত ইনফ্লুয়েন্সারের পোস্ট সবটাতেই কাউরের কবিতা মানিয়ে যায়। আর সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, এই কবিতাগুলো আকারে ছোট। মিল্ক অ্যান্ড হানির প্রত্যেকটি কবিতা গড়ে তিন থেকে পাঁচ লাইনের।

লেখক এবং কন্টেন্ট ফার্ম কোড ওয়ার্ড এজেন্সির অ্যাসোসিয়েট স্ট্রাটেজিস্ট ডমিনিক মিডলটন বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, খুব বেশিক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে আসার কারণেই এরকম অতিরিক্ত সহজ কবিতার দিকে ঝোঁক দেখা যাচ্ছে।’ একটা কবিতা যদি  ইনস্টাগ্রামের এক বাই এক ফ্রেমে না আঁটে, একটি টুইটে কিংবা টিকটকে তিরিশ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে না আঁটে, তাহলে তা আর জনপ্রিয় হবে না। ফেসবুক পোস্টে শব্দসংখ্যা বেশি পাওয়া গেলেও ব্যবহারকারীদের অডিয়েন্সের বাস্তবতা বিবেচনায় একটি/দুটি বাক্যেই সীমাবদ্ধ না থাকলে ভাইরাল হতে সমস্যা হয়। এছাড়া রয়েছে বিচিত্র কমিউনিটি গাইডলাইন। এক্ষেত্রে একটা অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করা যায়। দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধে পারমাণবিক বোমায় ঝলসে যাওয়া দৌড়রত এক মেয়ে শিশুর বহুল প্রচারিত একটি ছবি পোস্ট করে এই বিচিত্র কমিউনিটি গাইডলাইনের কোপানলে পড়তে হয়েছিল। ফলে কবিতা পোস্ট করার ক্ষেত্রেও এখানে কৌশলী হতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যে বাক-স্বাধীনতার, শিল্পচর্চার ফ্রি স্পেসের দাবি করে তা আসলে নয়া সেন্সরশিপের মোকাবিলা করে। আপনার বক্তব্য নয়, বরং কী ধরনের শব্দ ব্যবহার করছেন সেটাই বিবেচ্য এখানে। যা হাস্যকর। অবশ্য আমার মনে হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিল্প-সাহিত্য একটি বড় ধরনের কালচারাল শিফট, কবিতাও যার প্রভাব এড়াতে পারেনি। অ্যানালগ যুগের প্রতিষ্ঠানিক দৌরাত্ম্য এখন অনেক আড়ালে চলে গেছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানগুলো বরং ভাইরাল, জনপ্রিয়তা, বেচাবিক্রির খাতিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ফলো করছে।

কেন মানুষ এই ছোট ছোট কবিতাগুলো পছন্দ করছে তার আরেকটি কারণ হতে পারে মিনিমালিজম। যে শব্দবন্ধটি প্রায়শই উল্লেখ করা হয় তবে বেশিরভাগ সময়ই না বুঝেই। কবিতাগুলোর সংক্ষিপ্ততাকে মিনিমালিস্টিক চিকনেসের সঙ্গে তুলনা চলে, ক্লিন গার্ল অ্যাসথেটিকসের কাব্যরূপ যেন। মিনিমালিজমের মূল কথা যে বিমূর্ততা, এইসব বেশিরভাগ কবিতার সঙ্গেই তার কোনো সম্পর্ক নেই।

লেখক, কবি এবং ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস্ট নাঈমা রশিদ এই বাস্তবতা নিয়ে বলেন, ‘এখন মুহূর্তেই সৃষ্টি হওয়া কবিতা সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইন সদাজাগ্রত অনির্দিষ্ট পাঠকের উদ্দেশে ছেড়ে দেওয়া যায়। এখানে লেখক-পাঠকের সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়টিকে অতিসরলীকৃত হয়ে গেছে। তাছাড়া সংখ্যাই এখানে সব, যে মুহূর্তে আপনি একজন ভোক্তা পাবেন, যে এটিকে কবিতা ভাবছে, সেই মুহূর্তে আপনার ফলোয়ার তৈরি হবে। সহজ এবং অবাধ প্রবেশাধিকারের এই চক্র কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশের বাধা কমিয়ে এনেছে। স্বাভাবিক মান পরীক্ষার বিষয়টি এই সমীকরণের বাইরে। ইন্টারনেট নাজেল হওয়ার আগে বিষয়টা তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল। এখন হাজার হাজার মানুষ তাদের কাজ শেয়ার করছে টিকটকে, হ্যাশট্যাগ পোয়েট্রি কমিউনিটি কিংবা হ্যাশট্যাগ পোয়েট্রি ইজ নট ডেড দিয়ে। হঠাৎ করেই এখন যে কেউ তাদের সৃষ্টি তুলে ধরতে পারে, এবং নিজেকে কবি বলে দাবি করতে পারে।

কবিতার এই আপাত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অবশ্য কিছু ভয়ংকর কবিতার উত্থান ঘটিয়েছে, বিশেষ করে টিকটকে। এলিজা গ্রেসের মতো নতুন কবি এখন তুমুল জনপ্রিয়, একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অন্যের লেখা চুরির অভিযোগও রয়েছে। কবিতার এই সরলীকরণের স্টাইল পপ কালচারের অন্য অংশকেও রক্তাক্ত করছে। তবে আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কবিতা চর্চাকে খারাপ হিসেবেও দেখি না। কারণ এটা প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত এবং সাধারণভাবে যাদের কণ্ঠ আমরা শুনি না, তাদেরও সুযোগ করে দিয়েছে। ভুলে যাওয়া ঠিক না, যে কোনো ফরম্যাটে শিল্প সবসময়ই সাবজেক্টিভ বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক।

লেখক, সাহিত্য সম্পাদক ইয়াসমিন বেলখায়ের বলছেন, ‘বেশিরভাগ কবিতা যেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হচ্ছে, প্রকাশিত হচ্ছে, এগুলো কিন্তু সাহিত্যের প্রথাগত ধারার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এর মানে এই নয় যে এগুলো বাজে।’

‘সংক্ষিপ্ত, সাধারণ অনুভূতি-নির্ভর কবিতা নতুন কিছু নয়। সপ্তদশ শতক থেকেই হাইকুর প্রচলন ছিল, যা কি না বিমূর্ত ও ডবল মিনিংয়ের জটিলতা বহন করলেও এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সহজ কবিতা বলে পরিগণিত হয়। কিন্তু অনলাইনে প্রচলিত কবিতাগুলো অনির্দিষ্ট, নতুন বা মৌলিক কিছুই এর মধ্যে থাকে না।’ এখানে ভালো একটি শাড়ি পরা সুন্দর নারীর ছবির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া কবিতা কেবল ওইটুকু বিবৃতিতেই শেষ, অনেকটা বিজ্ঞাপন বা ট্যাগলাইন যেমন। ‘কবিতার যে আবেদন রয়েছে, তার কারণ এটি এমন এক মাধ্যম যেখানে নিখাদ নিজস্ব অনুভূতির প্রকাশ ঘটে। কিন্তু এই কবিতাগুলো একেবারেই ইমোশনালি ভালনারেবল নয়। এগুলো কিছুই বলে না, কোনো বিষয়েই বাজি ধরে না। কোনো টানাপড়েন নেই।’

ইয়াসমিন বেলখায়েরের কথায়, ‘তার মানে এই নয় যে, শিল্পের জন্য মানুষকে তার হৃদয় নিংড়ে দিতে হবে, কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের সব কথা তুলে ধরতে হবে, কিন্তু এরকম অনির্দিষ্ট কবিতা পাঠককে কিছুই দিতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবাই-ই বিষন্ন বোধ করে, কিন্তু যখন আপনি বিষন্নতা নিয়ে কবিতা লিখছেন, তখন আপনাকে লিখতে হবে বিষন্নতা আপনার কাছে কেমন অনুভূতি। শুধু এই কথা বলা আমি একসময় বিষণœ ছিলাম, যা পাঠককে কোনো বার্তা দিতে পারে না, কিংবা কোনো দৃষ্টিকোণ থেকে বিষন্নতাকে বোঝার মতো দিকনির্দেশনা দিতে পারে না।’

বাজে কবিতা লেখায় কোনো দোষ অবশ্য দেখেন না বেলখায়ের, তিনি মনে করেন যে, কোনো শিল্পমাধ্যমের মতোই কবিতা নিখুঁত হতে সময় প্রয়োজন। সমস্যা তখনই হয় যখন অনুভূতিহীন, অলস আর সরল কবিতা শুধু আদর্শই হয়ে ওঠে না, বরং এগুলোই হয়ে দাঁড়ায় মানুষের মনোযোগ পাওয়া একমাত্র কবিতা। যখন কবিতা হয়ে দাঁড়ায় অস্পষ্ট অনুভূতিসম্পন্ন একটি বাক্যের ভগ্নাংশের মতো।

শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই এসব অনুভূতিশূন্য কবিতার অসীম স্রোতধারা তৈরি করছে না। শিল্পের যারা দ্বাররক্ষকের ভূমিকায় রয়েছেন, তাদের চোখেও এখন ডলারের চিহ্ন দেখা যায়। বেলখায়েরের মতে, ‘মিডিয়া লিটারেসি এখন টয়লেটে, আর মনে হচ্ছে পুরো প্রকাশনা শিল্প এখন তলানিতে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত, যত বেশি সম্ভব ততবেশি মানুষের কাছে পৌঁছে আরও বেশি মুনাফার উদ্দেশ্য নিয়ে। এর মানে হলো সাদামাটা, অনাকর্ষণীয় কবিতা শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই শেয়ার হচ্ছে না, এগুলো চোখে ডলারের সাইনওয়ালা অসংখ্য প্রকাশকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’ সাহিত্য সম্পাদকরাও এখন নতুন কারও কবিতা ছাপার আগে বিবেচনা করেন লেখাটি অনলাইনে গেলে হিট হবে কি না, অনলাইন ট্রাফিক তার পত্রিকার ওয়েবসাইটে আসবে কি না। আর প্রকাশকরা তো নতুন লেখকের বই প্রকাশের আগে লেখকের বা কবির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে মার্কেটিং পলিসি ঠিক করেন। 

এতকিছুর পরেও যেটা না বললেই নয়, অনলাইনের প্রসারে সবকিছুরই ধরন বদলাচ্ছে। সেটা শিল্পের ক্ষেত্রেই বা বাদ যাবে কেন? বরং মডার্নিটির যুগ পার করে বিভিন্ন ইজম, শিল্প আন্দোলন, পপ কালচার মোকাবিলা করে আসা শিল্প-সাহিত্য আরও দ্রুত এই বদলকে আত্মীকরণ করবে সেটাই স্বাভাবিক। কবিরাও এই পরিবর্তন নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নন, এমনকি তাদের ওপর যদি শিল্পের বেজন্মাকরণের দায় চাপানোও হয়। হাংরি, দাদাইস্টদের এই দায় নিতে হয়েছিল, পপ কালচারও এই দায় অস্বীকার করে না। সাধারণভাবে বললে কবিদের এখন নিজেদের প্রকাশ করার জন্য অনেক মাধ্যম রয়েছে।  সেসব মাধ্যমে সাহিত্য আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, সব মানুষের পছন্দ আমলে নিয়ে। এখন কবিতার অনেক অলিগলি রয়েছে, কোনোটা হয়তো জঘন্য বলার মতো, কোনোটা মাঝারি গোছের, আবার কোনোটা অসাধারণ। এখন কবিতার চর্চাকারীও অনেক, তাদের কাছে বিকল্পও অনেক। আপনার শুধু বেছে নিতে হবে কোন গলি ধরে আপনি যাবেন, আর কোন ধরনের মানুষের কাছে আপনি পৌঁছাতে চান। ফলে শুরুতে নব্বই দশকের বাংলাদেশি কবির যেই কথা উল্লেখ করেছিলাম, তার অনুসরণেই শেষ করি বাজে কবিতার সমঝদার আপনেরে আমার কি দরকার? অথবা, হোমপেজে ভেসে যাওয়া কবি, জন্ম তব অফলাইনে...তিষ্ঠ ক্ষণকাল...।

(ভাইস ডিজিটাল মিডিয়াতে শিবানী দুবের ‘ব্যাড পোয়েট্রি ইজ এভরিহোয়্যার’ অবলম্বনে।)

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত