ইকুয়েডর

জেল থেকে পালাল ভয়ানক অপরাধী, দেশজুড়ে কারফিউ জারি

  • সোমবার ফিটোকে খুঁজতে রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার সৈন্য এবং পুলিশ, দিনভর চলে বিশাল অভিযান
  • দেশজুড়ে জরুরি অবস্থার কারণে সড়কে ও কারাগারের ভেতরে সামরিক সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:২২ পিএম

লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে দেশটির সবচেয়ে বিপজ্জনক মাদক অপরাধীদের একজন নেতা জেল থেকে পালিয়েছে। এর ফলে দেশটিতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় গত রবিবার শক্তিশালী অপরাধী চক্র লস চোনেরোস গ্যাংয়ের নেতা অ্যাডলফো ম্যাকিয়াস ওরফে ফিটো গুয়াকিলের বন্দর শহরের কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই শহরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সাজাভোগ করছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ফিটো কারাগার থেকে পালানোর কারণে দেশ জুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া।

জরুরি অবস্থা জারির পর নোবোয়া বলেন, ‘আমি মাত্রই জরুরি অবস্থা জারির ডিক্রিতে সই করেছি। এর ফলে সশস্ত্র বাহিনী তাদের কার্যক্রমের জন্য সব ধরনের রাজনৈতিক ও আইনি সহায়তা পাবে।’

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নোবোয়া বলেন, সরকারকে কী করতে হবে না হবে, সেটা অভিযুক্ত মাদক পাচারকারী, হিটম্যান ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যরা বলে দেবেন, সেদিন এখন আর নেই।

সোমবার ফিটোকে খুঁজতে রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার সৈন্য এবং পুলিশ। দিনভর বিশাল অভিযান চলে অপরাধী চক্র লস চোনেরোসের দোষী সাব্যস্ত নেতার খোঁজে।

দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করার ফলে সড়কে ও কারাগারের ভেতরে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো দেশে রাতের বেলায় জারি থাকবে কারফিউ।

এদিকে ইকুয়েডরের কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে দেশজুড়ে পাঁচটি কারাগারে রক্ষীদের জিম্মি করে ‘অঘটন’ ও সংঘর্ষ ঘটেছে।

দেশটির পুলিশের জেনারেল কমান্ডার সেজার জাপাতা রবিবার রাতে গণমাধ্যমে জানান যে, ম্যাকিয়াস তার কারাগার থেকে পলায়ন করেছে এবং এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। এদিকে ইকুয়েডরের প্রসিকিউটর অফিস সোমবার জানিয়েছে যে, ফিটোকে পালাতে সহায়তা করার সন্দেহে দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

অ্যাডলফো ম্যাকিয়াস ওরফে ফিটো ২০১১ সাল থেকে মাদক পাচার, হত্যা এবং সংগঠিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৩৪ বছরের সাজা ভোগ করছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত