ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে খুলে দেওয়া হলো ৭ ফ্লাইওভার

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৪, ০১:১৪ পিএম

ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থকে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত চলমান বিআরটি প্রকল্পের সাতটি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (২৪ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের সভাকক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে এ সাতটি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেন।

ফ্লাইওভারগুলো হলো— ৩২৩ মিটার দৈর্ঘের এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (বাম পার্শ্ব), ৩২৩ মিটার দৈর্ঘের এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (ডান পার্শ্ব), ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের জসীমউদ্দিন ফ্লাইওভার, ১৬৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ইউ—টার্ন—১ গাজীপুরা ফ্লাইওভার, ১৬৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ইউটার্ন-২ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফ্লাইওভার, ২৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের ভোগড়া ফ্লাইওভার ও ৫৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের চান্দনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সাতটি সাতটি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার ফলে এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের জন্য এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। বিগত দিনে ঈদের সময় গাজীপুরে যে ভোগান্তি হয় এবার আর তা হবে না। ইতোমধ্যেই এ প্রকল্পের ৯১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই বিআরটি প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের কারণে বছরের পর বছর ভোগন্তি হয়েছে। আশা করি আর হবে না। আমিও নিজেও অন্তত ৫০ বার এই প্রকল্প দেখতে এসেছি। দেখুন এতোগুলা প্রজেক্ট হয়েছে, এরমধ্যে একটি প্রজেক্ট একটু সমস্যা হয়েছে। এটি আমরা স্বীকারও করেছি এবং সমস্যাটি কোথায় সেটিও বলেছি।

এ সময় গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসান, বিআরটি প্রকল্পের পরিচালক (সড়ক) এ এসএম ইলিয়াস শাহ্, বিআরটি প্রকল্পের পরিচালক (সেতু) মো: মনিরুল ইসলাম খান, ঢাকা সড়ক সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুদ্দিন, বিআরটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ জাকির হোসেন ও আব্দুর রহমান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোঃ সফিকুল ইসলাম, গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক)  মোঃ আলমগীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের আওতায় বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট রুটের কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে। ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা বাজেটের এই প্রকল্পটির কাজ ১২ বছর পর ৯১ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার এই প্রজেক্টের ৮টি ফ্লাইওভারের মধ্যে ৭টি উন্মুক্ত করা হলো। তবে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত