বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান দাবি করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে তাদের অবস্থান একচুলও নড়বড় হয়নি। তারা আগের অবস্থানেই রয়েছে।’
আজ শুক্রবার বিকেলে কারাবন্দি বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, ‘সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পেছনে পেছনে ঘোরে আবার সমালোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেছে। তাদের স্বার্থে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ঘটাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারা নির্বাচনের আগে চেয়েছিল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা তৈরি করতে। কিন্তু সরকার আলোচনায় না গিয়ে, বুলেটের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যুদ্ধাবস্থার কারণে দেশের অর্থনীতি খারাপ হয়েছে এটা সরকারের খেলো যুক্তি। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে দেশের অর্থনীতি খারাপ হয়নি। আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও দলীয় নেতাকর্মীদের লুটপাটের কারণের দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কাজেই দেশের অর্থনীতি নিয়ে সরকার প্রধানের যুক্তি ভুয়া।’
বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নির্যাতন চালিয়ে জনগণের মুখ বন্ধ করে তাদের ভোটাধিকার হরণ করেছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধী দল দমন করছে। সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে আগামীর আন্দোলন পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিএনপি। সরকার যদি ভেবে থাকে তারা মহা আনন্দে দেশ পরিচালনা করবে তা হবে ভুল। ভবিষ্যৎই সরকারের পরিণতি ঠিক করবে।’
২৬ বছর ধরে নিখোঁজ, বন্দি ছিলেন প্রতিবেশীর বাড়িতে
হাদিসের প্রভাষক পদে সুধা রানী, দায় কার?