ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় এলাকার শতাধিক বাড়ি-ঘর ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়েছে। জোয়ারের পানিতে হাজার হাজার পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে গাছের ডালপালা ও গাছ ভেঙে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। জোয়ারের পানিতে জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কাঁচা-পাকা সড়কেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
রামগতি উপজেলার বাসিন্দা ও জেলা পরিষদের সদস্য মেজবাহ্ উদ্দিন হেলাল জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের চর আব্দুল্লাহ ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক বাড়ি-ঘর পুরো পানির নিচে ডুবে গেছে। উপজেলার চর গজারিয়া, চর গাজী, চর রমিজ, আলেকজান্ডার ইউনিয়নের মেঘনার উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৪০টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে তলয়ে গেছে। গাছ পড়ে প্রায় ৭০টি বাড়ি-ঘর ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮মে) উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহিন রানা জানান, টানা বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে ফসলি জমিতে পানি জমে গেছে। ফসলের ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা চলছে।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছৈয়দ আমজাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। তবে যাদের ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তাদের স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদে সচিব ও চেয়ারম্যানের কাছে তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুচিত্র রঞ্জন দাস দেশ রূপান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষয়-ক্ষতির তথ্য নেওয়া হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় মানুষের বাড়ি-ঘর, গাছ-পালা, গবাদি পশুর ক্ষতি হতে পারে। নদী পাড়ে জোয়ারের পানিতে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর কাঁচি দিয়ে হত্যা
‘সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ খালি’