অনেকেই আছেন যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়। এই ঘাম থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন তার কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে। ভিটামিন বি-১২-এর অভাবে কারও কারও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। তাই ভিটামিন বি-১২ যেসব খাবারে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় সেসব খাদ্য খাবার খেতে পারেন। যেমন কলা, ডিম, দুধ, গাজর, টমেটো, সবুজ শাক, মাছ, কাঠ বাদাম ইত্যাদি। ভিটামিন-বি পরিবার যেমন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫ যুক্ত খাদ্য। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন-বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন। বেশি করে পাকা ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন। পাকা পেঁপে, তরমুজ, আম, কামরাঙ্গা, ফুলকপি, গাজর, বরবটি খুব উপকারী। শারীরিক দুর্বলতার কারণেও অনেকের ঘাম হয় । তাই পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফলমূল বেশি পরিমাণে খেতে হবে। আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন এসপারাগাস, ব্রকলি, টারকি, গরুর মাংস, যকৃত, সাদা পেঁয়াজ, খাবার লবণ প্রভৃতি কারণেও কারও কারও অতিরিক্ত ঘাম হয়। তাই এসব খাবার কম খাবেন বা একেবারেই বাদ দিতে পারেন। চায়ের মধ্যকার টনিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক ঘামবিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে পাঁচটি চায়ের ব্যাগ মিশিয়ে সেটার মধ্যে ১০-১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। তা ছাড়া সবুজ চা পান করুন। এতেও উপকার পাবেন। হাতে-পায়ে কোনো ধরনের পাউডার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরও বাড়িয়ে দেবে। অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কফি পান করা থেকে বিরত থাকুন। পান, ক্যাফেইনযুক্ত কফি, ধূমপান প্রভৃতি থেকে বিরত থাকুন, কারণ এগুলো দেহে অতিরিক্ত ঘাম তৈরি করে। বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন। শসাতে লবণ না মেখে খাবেন। এতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকবে এবং ঘাম কমে যাবে।
×
