দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলা হয়নি সাকিব আল হাসানের। তাই গত সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টই এখন পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট হয়ে আছে। চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ শেষেই শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজে কি সাকিব খেলবেন?
নিরাপত্তার কারণে সরকারের পরামর্শে দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। তাকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে মিরপুরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ এমনকী সংঘর্ষও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে দেশে। অবশ্য দোষী প্রমাণিত হওয়া না পর্যন্ত তাকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে বিসিবি। কিন্তু দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলার নিরাপত্তা তিনি পাননি।
আগামী ৬ নভেম্বর থেকে শারজায় শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বাকি দুই ম্যাচ ৯ এবং ১১ নভেম্বর। ওয়ানডে থেকে অবসর না নেওয়ায় এবং সিরিজটি দেশের বাইরে হওয়ায় সাকিবের খেলার একটা সুযোগ আছেই। এ সিরিজে খেলবেন কিনা- এমন প্রশ্নে ‘ক্রিকবাজ’কে সাকিব বলেছেন, ‘আমি কীভাবে বলব? এ বিষয়ে বিসিবির বলা উচিত।’
সাকিব ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবকিছুই এখন অনিশ্চিত। ‘ক্রিকবাজ’ আরও জানিয়েছে, ‘নির্বাচিত হলে তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে প্রস্তুত’। কিন্তু বোর্ডের একটা অংশ মনে করে, বিদেশে থেকে জাতীয় দলে কাউকে নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। নির্বাচকেরাও সাকিবের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
টেন হাগ বরখাস্ত, ইউনাইটেডের দায়িত্বে নিস্তলরয়
জাকেরের জায়গায় চট্টগ্রাম টেস্টে অঙ্কন
শান্তর সঙ্গে আলোচনার শর্তে দুই অধিনায়ক চান নান্নু