বন্য পাখি বিক্রি

সকালে আটক বিকেলে জামিন  

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০৫ পিএম

দীর্ঘদিন ধরে পাখির ব্যবসা করে আসছিলেন। দেশের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে পাখি ধরে এনে বাসায় খাঁচায় আটকে রাখতেন। তারপর বিভিন্ন দোকানে সুযোগ বুঝে নিয়ে বিক্রি করতেন। আবার বাসা থেকেও চলত পাখি বিক্রি। অবশষে বন্য পাখি বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে আটক হন তিনজন।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের আলকরণ এলাকার ৩ নম্বর গলির এক বাসা থেকে পাখিসহ তিনজনকে আটক করেছে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ।

আটককৃতরা হলেন- মো. হোসেন ওরফে মিন্টু (৪৫), তার স্ত্রী রানী আক্তার (৩০) এবং সহযোগী মো. হৃদয় (৩০)। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এই পাখি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ সময় তাদের দোতলার বাসা থেকে ১৫টি বন্য টিয়া ও ৯টি শালিক উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য।

দীপান্বিতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আলকরণের বাসা থেকে খাঁচায় বন্দি পাখিসহ বিক্রি করতে যাবে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশেপাশে অবস্থান নিয়ে তাদের আটক করি। এরপর তাদের তথ্যের ভিত্তিতে সে বাসায় গিয়ে আরও পাখি পাই। পরে পাখিসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তারা এ সময় পাখিগুলো নিয়ে দোকানে বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা করে কোর্টে পাঠানো হলে বিকেলের মধ্যে তারা জামিনে বের যান।

তিনি জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে এভাবে পাখি ধরে খাঁচায় বন্দি ও বিক্রি করা অপরাধ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত