ভুয়া ফলোয়ার দিয়ে কোটি কোটি টাকা আয় ভিনি-এমবাপ্পের!

আপডেট : ২৫ মে ২০২৫, ০৯:৫৯ এএম

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুলসংখ্যক ফলোয়ার আছে কিলিয়ান এমবাপ্পের। ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রেরও কম নয়। কিন্তু এত সংখ্যক ফলোয়াদের সবাই কি ‘আসল’? সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে উল্টো তথ্য। ইনস্টাগ্রামে তাদের এই বিপুলসংখ্যক ফলোয়ারের বেশিরভাগই নাকি ভুয়া! এই ভুয়া ফলোয়াদের দিয়েই তারা নাকি বিপুল অংকের অর্থ উপার্জন করে যাচ্ছেন।

ক্রীড়াবিষয়ক প্লাটফর্ম অডসপিডিয়ার এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভুয়া ফলোয়ার দিয়ে বছরে প্রায় ৩০ লাখ ইউরো আয় করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪১ কোটি টাকার বেশি। একই পদ্ধতিতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বছরে আয় প্রায় ১২ লাখ ইউরো। শুধু এই দুজন নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অনুসারীদের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আয় করা শীর্ষ ১০ লা লিগা খেলোয়াড়ের ৬ জনই রিয়াল মাদ্রিদের! বার্সেলোনার আছেন ৩ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি তারকা এমবাপ্পের ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা ১২ কোটি ৪০ লাখের বেশি। এই বিশালসংখ্যক অনুসারীর মধ্যে ২ কোটি ৬০ লাখই ভুয়া! প্রতি ম্যাচে একটি করে পোস্ট দিলে মৌসুমে আনুমানিক ২৮ লাখ ৩২ হাজার ২৫১ ইউরো আয় করেন। শুধু এই ভুয়া অনুসারীদের মাধ্যমেই প্রতি পোস্টে প্রায় ৭৫ হাজার ইউরো আয় করার সুযোগ পান এমবাপ্পে, বছরে সেটা হয়ে যায় ৩০ লাখ ইউরোর কাছাকাছি।

ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আছেন দ্বিতীয় স্থানে। তার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা অনুসারী ৫ কোটি ৩০ লাখের আশেপাশে। এর মাঝে নাকি ২০ দশমিক ৭১ শতাংশ বা ১ কোটি ১১ লাখ ফলোয়ারই ভুয়া, যা মোট ফলোয়ারের ২০.৭১ শতাংশ। এই ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে বছরে ভিনিসিয়ুস আয় করেন ১১ লাখ ৮২ হাজার ইউরোর বেশি। এছাড়া জুড বেলিংহাম, লামিনে ইয়ামাল, রদ্রিগো, ফেদেরিকো ভালভের্দে ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গারা আছেন এই তালিকায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত