ডায়ালিসের আগে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন করা গেলে রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। শুক্রবার বিকেলে পাবনার বনগ্রামের কিডনি ফাউন্ডেশনের ৯ম বার্ষিক সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এই তথ্য জানানো হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ চিহ্নিত হলে রোগী সহজেই সুস্থ হতে পারেন। ডায়ালিসের আগে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা হলে রোগীর জীবনকাল ও জীবনমান উভয়ই অনেক উন্নত হয়।
বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনার সভাপতি অধ্যাপক ডা. সাকিব উজ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দেশবরেণ্য কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ।
বৈজ্ঞানিক সেমিনারে কিডনি চিকিৎসা ও ট্রান্সপ্লান্টের নীতিমালা, চিকিৎসার সুবিধা ও অসুবিধা তুলে ধরেন ডা. আবু সাঈদ, অধ্যাপক ডা. খাজা নাজিমুদ্দিন, অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম রওশন এবং কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনি ফেরদৌস রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই রোগ মোকাবিলা করা সম্ভব।’
ইনসেপ্টা ও কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে পাবনার ৬০ জন নবীন চিকিৎসক ছাড়াও শতাধিক কিডনিরোগী এবং তাদের স্বজন অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সচেতনতা, একিউট কিডনি ইনজুরি, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসের আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
