লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সরকারি স্বপ্নযাত্রা অ্যাম্বুলেন্স 'প্রশাসক' তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছে অভিযোগ পাওয়া যায়। তিনি উপজেলার সাহেবের হাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি তার শ্বশুর বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করেন।
ব্যক্তিগত কাজে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অপব্যবহার। এটি গুরুতর সমস্যা, সরকারি গাড়িগুলো ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও আইন লঙ্ঘন। এছাড়াও সরকারি এম্বুলেন্সের অপব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করবে অসহায়, দুস্থ রোগীরা। সেখানে প্রশাসক নিজের ব্যক্তগত কাজে ব্যবহার করছে এটা সম্পূর্ণ আইন বিরোধী।
ড্রাইভার কামাল বলেন, অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে 'প্রশাসক' স্যারের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজে ফরিদপুর (শ্বশুর) বাড়ি গিয়েছি। তার পরিবারে সদস্যদের ওখানে রেখে ঢাকায় এসে পৌঁছেছি। অ্যাম্বুলেন্স ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় না, এমন প্রশ্ন জানতে চাইলে ড্রাইভার কামাল বলেন, বিষয়টি স্যার ও সচিবের সাথে আলাপ করেছি। তারা যেতে বলেছে আমি কি করব..। আমি তো তাদের চাকরি করি।
সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার ছাড়াও প্রশাসকের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম রয়েছে। প্রশাসক পরিষদের জেলে চাল বিতরণে অর্থ বাণিজ্য ও চাল আটক রেখে পঁচানো, পরিষদের টেক্স সংগ্রহের বহি এবং চাবি তার কাছে আটক রেখে পরিষদের কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রশাসক তার ব্যক্তিগত কাজে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলে আমি কি করব..। তিনি তার নিজের মতো পরিষদের কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন।
প্রশাসক মো. শাকিল আহমেদ বলেন, তার মেয়ে অসুস্থ থাকায় পরিষদের অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ফরিদপুর (শ্বশুর) বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেন, প্রশাসক সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যক্তিগত ব্যবহার করছে বিষয়টি তার জানা নেই। প্রশাসক তার কোন অনুমতি নেননি বলেও জানান।
