দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও রাজা সিকান্দার

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম

সুপার এইট পর্বের পর আর যে যাওয়া হবে না জিম্বাবুয়ের, সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর ভারতের কাছে হারের পরই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সুপার এইটের শেষ ম্যাচটা ছিল নিছক নিয়ম রক্ষার। সেই ম্যাচটাও জিম্বাবুয়ে হেরেছে ৫ উইকেটে, ১৩ বল আগেই। তারপরও এবারের বিশ্বকাপ থেকে জিম্বাবুয়ে বিদায় নিচ্ছে মাথা উঁচু করেই। শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে এসেছে জিম্বাবুয়ে, আছে স্মরণীয় কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও। 

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগই হয়নি জিম্বাবুয়ের। এর আগে ২০১৯ ও ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও তারা সুযোগ পায়নি। ২০০৬ সালের পর জিম্বাবুয়ে খেলেনি আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেরও বাইরে জিম্বাবুয়ে। বৈশ্বিক আসরগুলোতে কমে আসা উপস্থিতি আর আর্থিক সংকটে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। এমন অবস্থায় সুপার এইট থেকে বিদায় নিলেও তাদের কোষাগারে ঢুকবে ৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, আর প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য প্রায় ৩২ হাজার ডলার করে ৩ ম্যাচে প্রায় আরো ১ লাখ ডলার, যা নিঃসন্দেহে আরো কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখবে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট। 

দিল্লীতে টস জিতে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করে ১৫৩ রান। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৪৩ বলে করেন ৭৩ রান। জবাবে সিকান্দার প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডি কককে আউট করে লড়াই জমিয়ে তুললেও রায়ান রিকেলটনের ৩১ ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ৪২ রানের সঙ্গে জর্জ লিন্ডের ৩০* রানের ইনিংসের পর আটকাতে পারেননি দলের হার। ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রানে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে সুপার এইটের গ্রুপ-১ থেকে শীর্ষ দল হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল প্রোটিয়ারা। 

দল হারলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন হাফসেঞ্চুরি ও জোড়া শিকার করা সিকান্দার। পুরষ্কার নিতে এসে এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আমার এখনকার তাৎক্ষণিক অনুভূতি হলো যে আমার এখানে (পুরস্কার নিতে) থাকা উচিত নয়! ম্যাচ হেরে আমি এর আগে কখনো ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পাইনি। গত দুই ম্যাচে আমরা বেশ বড় ব্যবধানে হেরেছি, কিন্তু প্রতিটি হারই আমাদের জন্য মূল্যবান কিছু শিক্ষা নিয়ে এসেছে। আমরা এই শিক্ষাগুলো কাজে লাগিয়ে বাড়ি ফিরে যাব এবং আশা করি আরও শক্তিশালী ও শ্রেয়তর দল হিসেবে ফিরে আসব’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত