কলা খেয়ে ওজন কমান

আপডেট : ০৫ মে ২০২৬, ০৩:৪০ এএম

খাদ্য তালিকায় ফল হিসেবে কলা সবসময়ই জনপ্রিয়। ভিটামিন, খনিজে ভরপুর কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ওজন বাড়াতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে অনেকেই কলা খান। কিন্তু ওজন কমাতেও পুষ্টিবিদরা কলা খেতে বলেন। কলা শরীরে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি৬, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব পূরণ করতে পারে। এতে থাকে প্রচুর ফাইবার। শরীর ভালো রাখতে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুব জরুরি।

ওজন কমাতে : কলা খেলে পেট বেশ কিছুক্ষণ ভরা থাকে। ফলে চট করে অন্য কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হয় না। উল্টোপাল্টা খাবার বাদ পড়লে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যা ওজন কমাতে সহায়ক হয়। তা ছাড়া শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজের অনেকটাই পূরণ হয় কলা খেলে। একটি মাঝারি আকারের কলায় ৩.০৭ গ্রাম ফাইবার থাকে। ফাইবারে সমৃদ্ধ খাবার ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কাঁচকলা : কাঁচকলায় রয়েছে ‘পেকটিন’ এবং স্টার্চ। কাঁচকলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মান ৩০। খাওয়ার পরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রুখতে পারে কাঁচকলা। প্রচুর ফাইবার থাকায় ওজন কমানোর তালিকায় কাঁচকলা রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। পাকা কলা এমনি খাওয়া হলেও, কাঁচকলা সবজি হিসেবে খাওয়ার চল রয়েছে।

ওট্স এবং কলা : সকালের খাবারে ওট্স এবং কলা একসঙ্গে রাখতে পারেন। কলা শরীরে পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করবে। ওট্সে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। স্মুদি হিসেবে খান বা ওট্সের মধ্যে কলার টুকরো দিয়ে খান, এই দুটি জিনিস একসঙ্গে খেলে অনেকক্ষণ পেট ভর্তি থাকবে।

কলা এবং বাদামের মাখন : শরীর ভালো রাখার জন্য ফ্যাট বাদ নয়, বরং স্বাস্থ্যকর উপায়ে খাওয়া দরকার। বাদামের মাখনে থাকে প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। সকালে যদি কলা এবং বাদাম অথবা কাঠবাদামের মাখন খাওয়া যায়, তা হলে শরীর একসঙ্গে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও পাবে।

কাঁচকলার স্মুদি : শুধু পাকা নয়, কাঁচকলা দিয়েও স্মুদি বানিয়ে নিতে পারেন। কাঁচকলা, আখরোট, মধু এবং সামান্য পানি দিয়ে মিক্সিতে বেটে স্মুদি তৈরি করে নিন। ওজন কমাতেও কাজে আসবে। এর মধ্যে কিছুটা প্রোটিন গুঁড়া অথবা দুধও মিশিয়ে নিতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত