সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সিআইডি’র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল হাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় পরদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর হত্যাসহ কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। ৪৪ দিন রিমান্ড শেষে ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
শুনানিকালে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গত বছরের ২৮ অগাস্ট বনানী থানায় সিআইডি পুলিশের এসআই মনিরুজ্জামান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনকে আসামি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এ মামলাটি করেন।
এতে মাসুদ চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান ফাইভ এমের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে দেড় লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এর বাইরে পাসপোর্ট খরচ, কভিড টেস্ট, মেডিকেল ও পোশাক ফি মিলিয়ে আরও সাড়ে ৩৬ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে একেকজনকে।
এ হিসাবে ৯ হাজার ৩৭২ জনের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা করে অতিরিক্ত নিয়েছে। এই হিসাব তিনি মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা আত্মসাৎ এবং পাচার করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
