শনিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠিতব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে চকরিয়া সেজেছে বর্ণিল সাজে। পুরো পৌর এলাকা জুড়ে বইছে উৎসবের হাওয়া। এই জনসভাকে ঘিরে প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত এই বৃহৎ সমাবেশকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
জনসভাকে ঘিরে চকরিয়া ও এর আশপাশের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ধারাবাহিক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এসব সভায় নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং সমাবেশকে অভূতপূর্ব সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলের দিকে আসতে শুরু করেছেন; ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম ক্রমেই বাড়ছে।
সমাবেশের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে আয়োজকরা জানান, বিপুল মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাঠ প্রস্তুত এবং মঞ্চ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সমাবেশ যাতে নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হতে পারে, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে।
সমাবেশে জনসমাগমের প্রত্যাশা নিয়ে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহসভাপতি এনামুল হক জানিয়েছেন, জনসভায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জনসভায় অংশ নেবেন, ফলে এ সমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নিতে পারে।
এদিকে, জনসভার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতির সর্বশেষ অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে তিনি চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত জনসভাস্থলে পৌঁছান। এ সময় তিনি মঞ্চ, আসন বিন্যাস, প্রবেশ ও প্রস্থান পথসহ পুরো মাঠের প্রস্তুতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
জনসভার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, জনসভাকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।