জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের মহানাটকীয় জয়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—সাইডলাইনে গা গরম করার পরও কেন মাঠে নামানো হলো না দলের প্রধান তারকা নেইমার জুনিয়রকে? ম্যাচ শেষে হিউস্টনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই ‘নেইমার রহস্য’ পরিষ্কার করেছেন সেলেসাওদের ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
মূলত ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছিল। সান্তোসের সাবেক এই তারকাকে নিয়ে কোচের পরিকল্পনা ছিল দুই স্তরের।
আনচেলত্তি বলেন:
"আমি নেইমারের সাথে আগেই কথা বলে রেখেছিলাম। যদি আমরা সময়মতো সমতায় ফিরতে না পারতাম, তবে ম্যাচের ৬০ বা ৬৫ মিনিটের দিকেই ও মাঠে নেমে যেত। কিন্তু ৫৮ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে আমরা সমতায় ফিরে আসার পর আমি দলের বর্তমান পরিকাঠামো আর ভাঙতে চাইনি। কারণ দল তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল এবং দারুণ খেলছিল। এরপর আমি ওকে অতিরিক্ত সময়ের জন্য বাঁচিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।"
তবে নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে (৫১ মিনিটে) গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি জয়সূচক গোলটি করে ফেলায় নেইমারকে আর বাড়তি চাপের মুখে ফেলতে হয়নি আনচেলত্তিকে। স্কোয়াডের গভীরতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আমাদের বেঞ্চ এবং মাঠে প্রচুর বিকল্প সম্পদ রয়েছে। জাপান অত্যন্ত গোছানো ও লড়াকু দল, তাদের বিপক্ষে এমন জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল।"
কাসেমিরো ও পাকেতার ইনজুরি নিয়ে ধোঁয়াশা
ম্যাচ জিতলেও ব্রাজিলের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের দুই প্রধান তারকা কাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতার চোট। প্রথমার্ধের শেষদিকে পাকেতা ডান পায়ে আঘাত পেয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন। অন্যদিকে দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ম্যাচ জেতানো কাসেমিরোও কিছুটা শারীরিক অস্বস্তিতে পড়েছেন।
তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ইতালিয়ান এই কোচ বলেন, "কাসেমিরো এবং পাকেতার শারীরিক অবস্থা নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার মতো তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমাদের আগামীকাল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে এবং মেডিকেল রিপোর্টের পরই প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।"
ইনজুরি টাইমের গোলে নাটকীয় জয় ব্রাজিলের