২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী’ অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, এবারের বাজেট সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেবে। আসুন আমরা সবাই এ বাজেটকে একটি পুনর্গঠনের বাজেট হিসেবে দেখার চেষ্টা করি। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি প্রস্তাবিত বাজেট পাসের আগে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করতেও অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান।
বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে বের করে এনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
সংসদ সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণের পথে এগিয়ে চলছে। তবে এটি বহু কঠিন একটি পথ। বাংলাদেশের মানুষ আমরা প্রত্যেকে গ্রাম-গঞ্জে ঘোরা মানুষ, মানুষের সঙ্গে ওঠবস করা মানুষ। বাংলাদেশের মানুষ পরিশ্রমী মানুষ। আমাদের তরুণ সমাজ মেধাবী, কৃষকরা উৎপাদনশীল, প্রবাসীরা দেশপ্রেমিক এবং আমাদের উদ্যোক্তারা সম্ভাবনাময়। সুতরাং আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।’ তিনি বলেন, ‘এই বাজেট শুধু সরকারের বাজেট হিসেবে নয়, আসুন আমরা সবাই এ বাজেটকে একটি পুনর্গঠনের বাজেট হিসেবে দেখার চেষ্টা করি।
সংসদ নেতা বলেন, আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, জনগণের কষ্ট লাঘব, আর্থিক খাতে আস্থা ফেরানো; কৃষক, শ্রমিক, তরুণ, নারী ও প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার প্রশ্নে আমরা সবাই ইনশাআল্লাহ ঐক্যবদ্ধ থাকব। এ বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এ বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাঁবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সেচ সুবিধা প্রসারে সরকারের সাম্প্রতিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত তিন মাসেই দেশে ৯০০ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে আরও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের নানামুখী সংকটকে আমরা অস্বীকারও করতে চাই না, আবার সংকটের অজুহাতও বানাতে চাই না। বরং সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করতেই আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’ প্রধানমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন যে, এবারের বাজেটে ৬১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করার ফলে বাজারে পণ্যের দাম বর্তমানে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানের চাকাকে সচল ও বেগবান করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। আমরা একটি বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার কাজ হাতে নিয়েছি। দেশে এমন একটি অর্থনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যেখানে যুবসমাজকে একটি চাকরির জন্য বছরের পর বছর ঘুরে বেড়াতে হবে না। দেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক শ্রমবাজারেও বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’
কর ও শুল্ক কাঠামো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নরমালি দাবিটা বিরোধী দল থেকে হয়ে থাকে। আমি আপাতত ফিজিক্যালি না হলেও মানসিকভাবে ওনাদের পাশে গিয়ে কথা বলতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, করব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও করদাতাবান্ধব করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
করদাতাদের স্বস্তি দিতে ব্যক্তিগত আয়কর অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা তিন লাখ ৭৫ হাজার, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে চার লাখ এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে চার লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি এ সীমা যথাক্রমে চার লাখ, সাড়ে চার লাখ এবং পাঁচ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখছেন।’ প্রস্তাবিত বাজেটে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শনসংক্রান্ত বিধান নিয়েও জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরির বিষয়টি নজরে আসার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
সংসদ নেতা বলেন, জমি প্রকৃত মূল্যে নিবন্ধন না হওয়ার কারণে করদাতাদের হয়রানি কমাতেই এ বিধান আনা হয়েছিল। তবে অনেকেই এটিকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তাই প্রস্তাবিত এ বিধান প্রত্যাহার করার জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে এ প্রস্তাবও প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান সরকারপ্রধান।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বর্তমানে আরোপিত ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন তারেক রহমান। তবে শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, কর সুবিধার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে, ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন করতে এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে।
পার্বত্য ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর সুবিধা আরও সম্প্রসারণেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে পার্বত্য জেলায় পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড থেকে অর্জিত আয়ের করমুক্ত সুবিধার পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বেতনের আয়ও করমুক্ত করার সুপারিশ করেন তিনি।
চিংড়িশিল্পের প্রসার ও রপ্তানি বাড়াতে ফিড অ্যাডিটিভ, প্রোবায়োটিকস, ভিটামিন, মিনারেলস এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া স্থানীয় শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর সুপারিশ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওষুধ ও শিল্প-কারখানায় ব্যবহৃত মধু আমদানির ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা উচিত। পাশাপাশি পিইটি রেজিন, পিভিসি, কোল্ড-রোলড শিট, রোল প্রোডাক্টের অক্সাইডসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত শুল্ক হ্রাস বা প্রত্যাহারের জন্যও অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
বৈদ্যুতিক তারের জন্য কপার আমদানিতে ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে অপ্রক্রিয়াজাত কাজু বাদাম আমদানিতে প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ কাস্টম শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেন তারেক রহমান। তিনি স্থানীয়ভাবে এলইডি ল্যাম্প উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং প্রি ফেব্রিকেটের বিল্ডিং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী বর্তমানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, ওটিটি প্লাটফর্ম, সার্চ ইঞ্জিন, অনলাইন মার্কেট প্লেস এবং অন্যান্য অনলাইন মিডিয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট থাকায় অনেক সময় ব্যবসায়ীরা আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের অর্থ পরিশোধ না করে অন্যভাবে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে অর্থ পরিশোধ করেন। ফলে ওই ব্যক্তির যেমন লাভ হচ্ছে না, একই দিকে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে। আমি অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাতে চাই যে, এইটার উপরে যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আছে, সেটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হোক। এতে আমরা বিশ্বাস করি যে, যারা অন্যভাবে পেমেন্টটা করছেন, তারা উৎসাহিত হবেন প্রপার ওয়েতে পেমেন্টটা করার জন্য।
স্বর্ণ বা স্বর্ণালংকার বা প্লাটিনামের ক্ষেত্রে প্রতি ভরির উপরে আড়াই হাজার টাকা, ডায়মন্ডের ক্ষেত্রে প্রতি গ্রাম আড়াই হাজার টাকা এবং রুপার গহনার ক্ষেত্রে প্রতি ভরি ১০০ টাকা কর ভ্যাটের যে হার রয়েছে, তা পুনর্নির্ধারণের জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া বিটিআরসির সঙ্গে টেলিকম কোম্পানিগুলোর রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার, সব প্রকার মাঠ সরবরাহের ক্ষেত্রে জোগানদার পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন তিনি। স্থানীয়ভাবে ডাবল কেবিন পিকআপ এবং মাইক্রোবাস উৎপাদনের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ যে ভ্যাট আছে, তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে অর্থের সংস্থান নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বাস্তবায়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংসদে তিনি বলেন, বাজেটের সফলতা ঘোষণায় নয়, কার্যকর বাস্তবায়নের মধ্যে নিহিত। তাই বাজেটে ঘোষিত কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে আগামী অর্থবছরে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার এমন সময়ে বাজেট প্রণয়ন করেছে, যখন একদিকে অতীত সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনীতি ও ভঙ্গুর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর চ্যালেঞ্জ ছিল, অন্যদিকে ছিল নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফলে এ বাজেট শুধু বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি সমন্বিত রূপরেখা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে সবার জন্য উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এই ১০টি অগ্রাধিকার খাতকে সামনে রেখেই সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
আইএমএফ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার শূন্যহাতে ফেরেনি। দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এমন কিছু শর্ত থাকায় আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে সরকার বেরিয়ে এসেছে। তবে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণœ রেখে ভবিষ্যতে নতুন কর্মসূচির সুযোগ খোলা রয়েছে।
এ সময় তিনি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পরিকল্পনা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ও পদ্ধতি সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।
ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ধারা বাতিল প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ‘বিতর্কিত’ ১৮(ক) ধারা বাতিলে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সরকার ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।