জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই বিপ্লববিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিজেআর-২, ২০২৬)। গতকাল রবিবার বিশ^বিদ্যলয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিলÑ ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর লিগ্যাসি : জবাবদিহি, সংস্কার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’।
সম্মেলনে ১৫টি প্যানেলে নির্বাচিত ৮০টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইদুল ইসলাম, বুয়েট অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, হামাদ বিন খলিফা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. উসামা আল-আযমী এবং বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাকিয়ান ফখরুল।
উদ্বোধনী পর্বে জুলাই বিপ্লবের শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি শহীদ পরিবারের একটাই দাবিÑ বিচার। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়া এত ধীরগতিতে চলছে যে আমরা আশাহত।
সম্মেলনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয়, এটি দেশের মানুষের সম্মিলিত উত্তরাধিকার।
সভাপতির বক্তব্যে আরআইটির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, জুলাই নিয়ে আবেগের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
অনলাইনে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সিরিয়াবিষয়ক প্রতিনিধি হুমা খান এবং অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ। এ সময় বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষার পক্ষে ভূমিকা এবং জুলাই বিপ্লবে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ হুমা খানকে ‘ফ্রেন্ডস অব জুলাই রেভল্যুশন’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড থট (আরআইটি), ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এবং সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সেস এ সম্মেলনের আয়োজন করে।