বড় তারকারা কেমন খেললেন

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ এএম

লিওনেল মেসি

সেমিফাইনাল পর্যন্ত হ্যাটট্রিকসহ ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার মূল কারিগর তিনি। নকআউট পর্বে দল যখন পিছিয়ে ছিল, তার জাদুকরী পারফরম্যান্সে দল শেষ পর্যন্ত জয় পায়।

নেইমার

চোট কাটিয়ে দলে ফিরলেও এই বিশ্বকাপে নিজের চেনা ছন্দ পুরোপুরি ফিরে পাননি। ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই বিদায় নেওয়ায় তার আসরটি ছিল হতাশার। আর বিশ্বকাপ খেলবেন না বলে জানিয়েছেন।

লামিন ইয়ামাল

১টি গোল করার পাশাপাশি স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র ছিলেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে উইঙ্গার হিসেবে তার ড্রিবলিং ও নিখুঁত পাসের মাধ্যমে স্পেনকে ফাইনালে তুলতে দুর্দান্ত ভূমিকা রেখেছেন

রোনালদো

৫ ম্যাচে ৩টি গোল করেছেন। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে জোড়া গোল করে নকআউট পর্বের খরাও কাটান এবং ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও গোল পান। তবে শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগাল বিদায় নেওয়ায় তার শেষ বিশ্বকাপের যাত্রাটি আক্ষেপের সঙ্গেই শেষ হয়।

এমবাপ্পে

১০টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে এই আসরে অসাধারণ খেলছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ২ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে ওঠেন। একই সঙ্গে লিওনেল মেসিকে (২১ গোল) টপকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন

লুকা মদ্রিচ

৪ ম্যাচে ১টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ৩৯ বছর বয়সে তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ঘানার বিরুদ্ধে একটি অ্যাসিস্ট করলেও নকআউট পর্বে শেষ ৩২-এর ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় ক্রোয়েশিয়া।

হ্যারি কেইন

মোট ৬টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করেছেন। দুটি ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়ে নকআউট পর্বে দারুণ খেলেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে ছিলেন নিষ্প্রভ। ফ্রান্সের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণীতে খেলেননি।

আর্লিং হালান্ড

ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন এবং ৫ ম্যাচে ৭টি গোল করে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় প্রমাণিত হয়েছে। তার পারফরম্যান্সে ভর করে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ^কাপ খেলতে এসে নরওয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত