অনেক ছাত্রছাত্রী ইংরেজি বানান নিয়ে দ্বিধায় থাকে। লিখতে গিয়ে ভুল করে। কিন্তু ইংরেজি বানানের জন্য নিয়ম জানার বিকল্প নেই। জানিয়েছেন গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অথৈ নীলিমা
যে নিয়ম জানতে হবে
প্রত্যেক শব্দে, কমপক্ষে একটি Vowel থাকবে। c-এর উচ্চারণ k বা s উভয় রকম হতে পারে। যেমন :City = সিটি আবার Cat = ক্যাট । Q-এর পর সব সময় u হবে। G-এর পর যদি e, i অথবা y থাকে তাহলে g-এর উচ্চারণ j-এর মতো হবে। যেমন : Giant, Gym। অন্যান্য সব ক্ষেত্রে g-এর উচ্চারণই হবে। One Syllable--এর শেষে যদি f, i অথবা s থাকে তাহলে শেষের এই অক্ষরটা ডাবল হয়ে যাবে। যেমন : Pass, Spell | V । v এবং j দ্বারা কোনো শব্দ শেষ করা যাবে না। যেমন : Have-এর উচ্চারণ ‘হ্যাভ’ হলেও v-এর কারণে অতিরিক্ত e যোগ করা হয়েছে।
ব্যতিক্রম
ব্যতিক্রমগুলো মুখস্থ করে ফেল। ইংরেজিতে অনেক নিয়ম রয়েছে, যা একেক শব্দের ক্ষেত্রে একেক রকম। Weird এবং Height- এ দুটি শব্দের উচ্চারণে E-এর কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও বানানের ক্ষেত্রে ঠিকই E হয়েছে।
ভেঙে ভেঙে শব্দ মুখস্থ করো
অনেক সময় ইংরেজি অনেক বড় শব্দ মুখস্থ করা কঠিন হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে শব্দগুলোকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করে মুখস্থ করার চেষ্টা করো। শব্দকে বিভিন্ন অংশে ভাগে করে নিলে মুখস্থ করা সহজ হয়ে যাবে।
উচ্চৈঃশব্দে পড়ো
ইংরেজি বানান দ্রুত মুখস্থ করার সহজ উপায় হলো উচ্চৈঃশব্দে পড়া। উচ্চৈঃশব্দে পড়লে চোখ, মুখ, কান তিনটি অঙ্গ একসঙ্গে কাজ করবে। এর ফলে, মস্তিষ্ক এটাকে গুরুত্বপূর্ণ ভেবে স্মৃতিতে জমা রাখবে।
ভুল করা বানান মুখস্থ করো
ইংরেজিতে অনেক বানান আছে, যা সবাই ভুল করে থাকে। এসব বানান ভুল থেকে মুক্তি পেতে হলে মুখস্থ করার বিকল্প নেই।
ভুল হওয়া বানান খুঁজে নাও
সচরাচর যেসব বানান ভুল হয় সেই ভুলগুলো নোট করে ফেল। পরে সেই ভুলগুলো সংশোধন করে বানানগুলো মুখস্থ করো।