অসময়ে গাছে ঝুলছে থোকা থোকা আম

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:০৬ পিএম

আমের মৌসুম অনেক আগেই শেষ হলেও ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে বিপ্লব ও এমি রানী নামে এক দম্পতির বাগানে এখন গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে হলুদ ও সবুজ বর্ণের আম কাটিমন জাতের বারোমাসি আম। অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এ আম বাগানেই ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে বেশ লাভবান হচ্ছেন তারা। তাদের এ সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে এলাকার অনেকেই এমন আম বাগান করার পরিকল্পনা করছেন। এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে এলাকার কৃষি অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

সরজমিন গিয়ে জানা যায়, পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কাস্তোর গ্রামের বাসিন্দা বিপ্লব কুমার ও তার স্ত্রী এমি রানী রায় দুই বছর আগে বাড়ির পাশে দুই বিঘা জমিতে থাই কাটিমন জাতের একটি বারোমাসি আমের বাগান করেন। বাগানে ৪৫০টি আম গাছ রয়েছে। বাগান করতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকা। পরের বছরেই বাগানে ফল আসতে শুরু করে। বছরে তিন বার ফল দেয় গাছগুলো। আমের মৌসুম শেষ হলেও আশ্বিন মাসের শেষের দিকে তার বাগানের গাছে গাছে ঝুলছে থোকা থোকা আম। বিক্রিও করেছেন। অত্যন্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন এ আম বাগানেই ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন তারা। বাগান থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। এবার আম বিক্রি করে বেশ লাভবান হবেন বলে আশা তাদের।

বিপ্লব জানান, প্রথমে শখের বসেই বারোমাসি আমের বাগান করেন। এখন দেখছেন এটি বেশ লাভজনক। বর্তমানে তার বাগানে আমের ফলন ভালো হয়েছে। ভালো দাম আম বিক্রিও করছেন। এতে বেশ লাভবান হবো বলে জানান তিনি।

এমি রানী রায় বলেন, তারা নিজেরাই বাগান পরিচর্যা করেন। অসময়ে বাগানের গাছে গাছে থোকা থোকা আম দেখে তার বেশ ভাল লাগছে। বাগান দেখার জন্য অনেকে আসছেন। পরামর্শও নিচ্ছেন।

এদিকে বারোমাসি এ আম বাগানের গাছে গাছে অসময়ে আম দেখতে আসছেন অনেকে এবং এমন জাতের আমের বাগান করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।ৰ

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এ ধরনের বাগানের ফল পারিবারিক চাহিদা মেটানার সাথে দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এটি সম্প্রসারিত করতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।এর মাধ্য এলাকার কৃষি অর্থনীতির চিত্র পাল্টে দেওয়া সম্ভব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত