শরীর সুস্থ রাখতে অনেক উপাদানের একটি হলো পটাশিয়াম। শরীরে এই উপাদানের পরিমাণ কম-বেশি হলেই নানা সমস্যা দেখা দেয়। স্নায়ু, মাংসপেশি ও হৃৎপিন্ডের কার্যকারিতা বজায় রাখে, এর পাশাপাশি শরীরে তরলের ভারসাম্যও ঠিক রাখে পটাশিয়াম। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বশে রাখতেও পটাশিয়ামের ভূমিকা রয়েছে। তাই রোজকার ডায়েটে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। কলা পটাশিয়ামে ভরপুর একটি ফল। রোজ একটি করে কলা খেলেই শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। একটি মাঝারি মাপের কলা আমাদের শরীরে প্রায় ৪০০-৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম সরবরাহ করতে পারে। মিষ্টি আলু পটাশিয়ামের ভালো উৎস। পটাশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে রোজ মিষ্টি আলু খান। কমলালেবু ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করতে পারে। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়ামও রয়েছে। একটি মাঝারি মাপের কমলালেবুতে প্রায় ২৩০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। পালং শাক পটাশিয়াম রয়েছে । এক কাপ রান্না করা পালং শাকে ৮০০ মিলিগ্রামেরও বেশি পটাশিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত পালং শাক খেলে শরীরে পটাশিয়ামের অভাব হবে না। আলুতেও প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। খোসাসহ একটি মাঝারি মাপের বেকড আলু আমাদের শরীরে প্রায় ৯০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম সরবরাহ করে। অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি ফল অ্যাভোকাডো একটি মাঝারি মাপের অ্যাভোকাডোতে প্রায় ৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। তাই ফল অ্যাভোকাডোও খেতে পারেন।
×
