লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় স্বামীর লাঠির আঘাতে তহমিনা খাতুন (১৯) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী আলমগীর হোসেন পলাতক।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ ) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান ওই গৃহবধূ। নিহতের বাবা আতাহার আলী দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার মহিষামুড়ি কাকিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বিয়ের এক বছর না যেতেই শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এরই মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। গত বুধবার সকালে স্বামী আলমগীর হোসেন কথা কাটাকাটির জেরে চড়াও হয়ে স্ত্রীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তহমিনা খাতুনের মৃত্যু হয়।
নিহত তহমিনা খাতুনের বাবা আতার আলী বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়টি আমরা জেনেছি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুড়িয়ে পাওয়া ককটেলে বিচ্ছিন্ন শিশুর হাত, ঝলসে গেছে মুখ
‘সফল জননী’ হিসেবে জয়িতা সম্মাননা পাচ্ছেন সেই চা-শ্রমিক মা