রান্নাঘরে ড্রয়ার বা ক্যাবিনেট লাগিয়ে নিন। মডিউলার কিচেন থাকলে খুবই ভালো হয়। মসলা বা রান্নার বিভিন্ন উপকরণ আলাদা আলাদা এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে রাখুন। রান্নাঘরের টাইলস মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করুন। অল্প পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে নিয়ে টাইলস ক্লিনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। শেভিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন। কিচেন সিঙ্কও একইভাবে পরিষ্কার করে ফেলতে পারেন। রান্না শেষ হওয়ার পরে প্রতিদিন গ্যাসের চুলা মুছে নিন। কিচেনের যাবতীয় গ্যাজেটস যেমন চিমনি, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি কিছুদিন পর পর পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন। ব্যবহারের পরপর শুকনো কাপড় দিয়ে একবার করে মুছে নিতে পারেন। মাইল্ড ডিটারজেন্টও ব্যবহার করতে পারেন। আবার বাজারে আজকাল গ্যাজেট ফ্রেন্ডলি স্প্রে ক্লেনজারও কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো ব্যবহার করাও বেশ সহজ। সাত-দশ দিন পর ফ্রিজের সব জিনিসপত্র ফাঁকা করে গরম সাবান পানিতে সব ট্রে ও শেলফ মুছে নিন। রান্নাঘরের কাবার্ডে বা টাইলে কোনো স্পট ক্লিনিং করতে পানিতে মিশ্রিত বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। তরকারি, ডিমের খোলা রান্না হয়ে যাওয়ার পরপরই কিচেন ডাস্টবিনে ফেলে দিন। ঢাকনা দেওয়া ডাস্টবিন ব্যবহার করুন। এতে মশা-মাছির উপদ্রব কম হবে। পানির মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ডাস্টবিনের মধ্যেও এক টুকরো লেবু দিয়ে রাখলে দুর্গন্ধ বের হবে না। ফুড প্রসেসর বা ব্লেন্ডার পরিষ্কার করতে হলে গরম পানির মধ্যে লিকুইড ক্লেনজার মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। মাইক্রোওয়েভ ওভেন পরিষ্কার করতে লেবুর রস বা ভিনিগার খুব কাজে আসে।
×
