রোজা পালনে প্রয়োজন সুস্থ শরীর। তাই, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টিকর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। এ ছাড়া রোজায় সুস্থতা বজায় রাখতে প্রয়োজন রুটিন মেনে চলার একনিষ্ঠতা।
রোজায় সুস্থতা পালনে শরীর চর্চার সঠিক সময় হচ্ছে ইফতারের ঠিক আগে। তাই, ইফতারের ঘণ্টা দুয়েক আগে নিজের শরীর চাঙা রাখতে করুন হালকা ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম। কম শারীরিক পরিশ্রম লাগে, কিন্তু উপকারী এমন অ্যাকটিভিটিস বেছে নিন। যেমন আধা ঘণ্টা করে নিয়মিত সময়ে হাঁটাহাঁটি করা। রোজায় ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। এতে করে আপনার শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তী কিছু দিনের রুটিন ব্যায়ামে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। রুটিন বজায় রাখার জন্য যতটুকু ব্যায়াম করা যায়, তা করে যান। যদি ব্যায়ামরত অবস্থায় মাথাব্যথা করে, অথবা দুর্বল অনুভব করতে থাকেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়াম থেকে সেদিনের জন্য বিরতি নিন। আপনি শারীরিকভাবে পারফেক্ট থাকলেও মনে রাখবেন, রোজা আপনার দেহকে কিছুটা দুর্বল করে দিতে পারে।, সুস্থতা বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবারের মেন্যু তৈরি করবেন। রোজায় সুস্থতা রক্ষার্থে সাহরি করবেন নিয়মিত। সাহরিতে আমিষ জাতীয় খাবারের চেয়ে শর্করা জাতীয় খাবার বেশি থাকলে সারা দিনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবেন। অতিরিক্ত পেট ভরে খাবেন না। যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করবেন। সম্ভব হলে ২-১টা ফল রাখবেন সাহরির মেন্যুতে। দিনগুলোয় দুপুরে যতটা সম্ভব বাইরে না থাকার চেষ্টা করবেন। বৃষ্টি হলে অবশ্যই ছাতা নিয়ে বের হবেন। ঘামে ভিজে সর্দি-কাশি হলে তা রোজা রাখার অন্তরায় হতে পারে।
ইফতার হালকা খাবার দিয়ে শুরু করুন, পানি জাতীয় খাবার বেশি করে খান। ঘণ্টাখানেক সময় নিয়ে ইফতার করবেন না। অতিরিক্ত খাবার থেকে বিরত থাকুন। ভাজা-পোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। চা-কফি পান না করাই মঙ্গল। এতে করে দেহে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। চা-কফির স্থলে বিভিন্ন ধরনের ঠান্ডা পানীয় পান করুন। ঘুমানোর আগে অন্তত পানি পান করবেন, যেন পানিস্বল্পতা দেখা না দেয়। ইফতারের পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য বাইরে হেঁটে আসতে পারেন।
